বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

রেলের স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট, কার লাভ কার ক্ষতি?

ইব্রাহিম খলিল, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

শেয়ার করুন:

রেলের স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট, কার লাভ কার ক্ষতি?
  • নিয়ম-নীতির লঙ্ঘন ও রেলস্বার্থবিরোধী বলছেন ঠিকাদাররা
  • ষড়যন্ত্রে শেখ রেহানার সহযোগী প্রতিষ্ঠান দেশ ইন্টারন্যাশনাল
  • পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োজিত আমলারা

বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০২০ সালে ক্রয়কৃত বহুল আলোচিত ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) স্পেয়ার পার্টস বা মালামাল ক্রয়ে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট বাণিজ্যের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স অ্যান্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারেসাএসাএ) নেতারা।

তাদের দাবি, প্রচলিত উন্মুক্ত দরপত্র বা তালিকাভুক্ত সরবরাহকারী ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নির্দিষ্ট একটি সরবরাহকারীর সঙ্গে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট করা রেলের স্বার্থবিরোধী ও নিয়ম-নীতির লঙ্ঘন। আর এই ষড়যন্ত্রের মূলে রয়েছে শেখ রেহানার সহযোগী প্রতিষ্ঠান দেশ ইন্টারন্যাশনাল। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োজিত আমলারা।

এ বিষয়ে নজর দেওয়ার আকুতি জানিয়ে গত বুধবার (১২ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রীর বরাবর একটি আবেদন পাঠিয়েছেন ঠিকাদার ব্যবসায়ীদের সংগঠন বারেসাএসাএর দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে আবেদনের কপি গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছেন তারা।

আবেদনের তথ্যমতে, ২০২০ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্রয়কৃত বহুল আলোচিত ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) স্পেয়ার পার্টস বা মালামাল লোকোমোটিভ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান লোকো বিল্ডার্সের স্থানীয় এজেন্ট শেখ রেহানার সহযোগী প্রতিষ্ঠান দেশ ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়।

যার ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হয়েছে আরও তিন বছর আগে। এই সময়ে ক্রয়কৃত লোকোমোটিভের মেইনটেন্যান্স ও স্পেয়ার পার্টস প্রদানের চুক্তি লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি লোকো বিল্ডার্স। এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি শেখ রেহানার সহযোগী প্রতিষ্ঠান দেশ ইন্টারন্যাশনাল।

সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বার্থান্বেষী মহলের অতি উৎসাহে লোকো বিল্ডার্সের সঙ্গে সার্ভিস কন্ট্রাক্ট কনসেপ্ট প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট দাখিলকৃত প্রস্তাবনার আইএফই নং-৫৪.০১.১৫৪৩.৪৫৫.০৭.০৩৭.২৪, যার খোলার তারিখ ছিল ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর। এরপর সাতবার পেছানোর পরও ডিজেল স্পেয়ার্স এনলিস্টমেন্ট টেন্ডার নিষ্পত্তি এখনো শেষ করা হয়নি।

এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে এখন সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে নিয়োজিত রেলওয়ে-সংশ্লিষ্ট আমলারা। এটি পেতে কলকাঠি নাড়ছেন লোকোমোটিভ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান লোকো বিল্ডার্সের স্থানীয় এজেন্ট দেশ ইন্টারন্যাশনাল। ঠিকাদারদের প্রশ্ন, বিষয়টি কেন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে না এবং কার স্বার্থে এই প্রক্রিয়া ধরে রাখা হয়েছে?

মালামাল সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা

ঠিকাদাররা জানান, ২০২০ সালে সংগৃহীত ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের লোকোমোটিভের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ওয়ারেন্টি পিরিয়ড উত্তীর্ণ হওয়ার প্রায় তিন বছর পরও লোকো বিল্ডার্সকে ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের স্পেয়ার পার্টস একচেটিয়া সরবরাহের সুবিধা দেওয়ার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যথাসময়ে মালামাল সংগ্রহ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

ফলে ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের লোকোমোটিভের প্রায় ৭০ শতাংশ অচল হয়ে পড়েছে। এতে যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে পড়ছে। অথচ জরুরি মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মালামাল ক্রয় করলে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে যন্ত্রাংশ সরবরাহ পাওয়া যায়। যা বাংলাদেশ রেলওয়েকে সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিকট অতীতে এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২৬০০, ২৭০০, ২৯০০, ৬২০০, ৬৩০০, ৬৪০০ ও ৬৫০০ সিরিজের মালামাল ক্রয় করে গাড়ি চলাচল সচল রেখেছে।

তাই ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের ক্ষেত্রেও তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যন্ত্রাংশ ক্রয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলে ইঞ্জিন আউটটার্নের সংকট কেটে যাবে। সার্ভিস কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে ৩০০০ ও ৬৬০০ সিরিজের মেইনটেন্যান্সের দায়িত্ব দিলে রেলওয়ের যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের সঙ্গে একটি সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে রেলওয়ের দক্ষ জনবল এ সিরিজের লোকোমোটিভ মেরামতের জ্ঞান লাভ থেকে বঞ্চিত হতে পারে, যা রেলওয়ের জন্য ভবিষ্যতে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

বঞ্চিত নিবন্ধিত সরবরাহকারীর অংশগ্রহণ

লোকো বিল্ডার্স ও আমলাদের কারসাজিতে প্রচলিত তালিকাভুক্ত নিবন্ধিত সরবরাহকারী ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রতিযোগিতা না থাকায় নির্দিষ্ট প্রস্তুতকারক বা সাপ্লায়ার একচেটিয়া প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে রেলওয়ের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

কারণ লোকো বিল্ডার্স নির্দিষ্ট কিছু যন্ত্রাংশ ব্যতীত অধিকাংশ যন্ত্রাংশই তাদের কিছু মনোনীত উৎস থেকে সংগ্রহ করে থাকে। আর বাংলাদেশ রেলওয়ে সাধারণত দীর্ঘদিন ধরে তার তালিকাভুক্ত বৈদেশিক সরবরাহকারী এবং তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের ভিত্তিতে ইঞ্জিনের বিভিন্ন স্টক ও নন-স্টক মালামাল সংগ্রহ করে থাকে।

বিশেষ করে মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল সেকশনের প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয়ে আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত সরবরাহকারী এবং তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিরা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে অংশ নেন। নন-স্টক স্পেয়ার পার্টসের ক্ষেত্রে সব প্রস্তুতকারক ও তালিকাভুক্ত সরবরাহকারীর কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করে সর্বনিম্ন দরদাতা ও মানসম্পন্ন উৎস নির্বাচন করাসহ সব তালিকাভুক্ত সরবরাহকারীর মধ্যে অবারিত প্রতিযোগিতার ফলে সঠিক সময়ে সঠিক মান নিশ্চিত করে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা যায়, যা রেলওয়ের বাজেটের ওপর চাপ কমায়।

পিপিআরের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক

সরকারি অর্থ ব্যয় করে পণ্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অবারিত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া একক উৎস থেকে দরপত্রের মাধ্যমে কেবল নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সার্ভিস কন্ট্রাক্ট করা সরকারি ক্রয় আইন ও ক্রয় বিধিমালার (পিপিআর) মূল চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী ও সাংঘর্ষিক।

প্রতিযোগিতাহীন সার্ভিস কন্ট্রাক্টে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ ও মালামালের দাম নির্ধারণ করতে পারে। এতে রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাবে। সেই সঙ্গে স্থানীয় বাজারের ক্ষতি, দেশীয় প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাপ্লায়ারদের অবমূল্যায়ন, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়েতে সেবা দেওয়া নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ, নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি, দীর্ঘদিন নির্দিষ্ট কোনো বিল্ডারের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল থাকা এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এককথায়, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ রেলওয়ে লোকো বিল্ডার্সের কাছে জিম্মি হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, লোকো বিল্ডার্স রেলগাড়ির ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভ তৈরি করে। তবে প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট কিছু যন্ত্রাংশ ব্যতীত অধিকাংশ যন্ত্রাংশই তাদের কিছু মনোনীত উৎস থেকে সংগ্রহ করে থাকে। তাদের বাংলাদেশি এজেন্ট হচ্ছে শেখ রেহানার সহযোগী প্রতিষ্ঠান দেশ ইন্টারন্যাশনাল।

আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক টিও লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স অ্যান্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারেসাএসাএ) রেলওয়ের একমাত্র ব্যবসায়িক সংগঠন। এটি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের জিআই এ-ক্লাস অ্যাসোসিয়েশন।

এই সংগঠন সমগ্র বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিম জোনের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ১ হাজার ৫০০ সরবরাহকারীর প্রতিনিধিত্ব করে। এই সংগঠনের সদস্যরা বাংলাদেশ রেলওয়েকে সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের দেশীয় ও বৈদেশিক যন্ত্রাংশ—ডিজেল ইঞ্জিন, কোচ ও ওয়াগনের অন্যান্য যন্ত্রাংশ—চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে থাকেন।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার্স অ্যান্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে রেলওয়ের সরবরাহকারীদের বিভিন্ন যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করা হয় বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি ফেরদৌস হুদা চৌধুরী।

তিনি বলেন, বারেসাএসাএর সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে কয়েক মাস আগে রেলপথ মন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। যার অনুলিপি রেল প্রতিমন্ত্রী, রেল সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক-আরএস, বাংলাদেশ রেলওয়ে, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম বরাবর পাঠানো হয়েছে।

রেলওয়ের এডিজি-আরএসের বক্তব্য

জানতে চাইলে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি-আরএস) ফকির মো. মহিউদ্দীন বলেন, লোকোমোটিভগুলো লোকো বিল্ডার্সের তৈরি। তারা ছাড়া এই লোকোমোটিভগুলোর স্পেয়ার পার্টস কেউ দিতে পারবে না। রেলওয়ে যাদের মাধ্যমে স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহ করুক, লোকো বিল্ডার্স থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। তাই রেলওয়ে সরাসরি লোকো বিল্ডার্সের সঙ্গেই সার্ভিস কন্ট্রাক্ট করতে চাচ্ছে। এটা রেলওয়ের স্বার্থবিরোধী নয়। বরং যারা এর বিরোধিতা করছে, তারা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থেই করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এডিজি-আরএস বলেন, লোকো বিল্ডার্স ক্রয়চুক্তি অনুযায়ী তাদের শর্ত পূরণ করেছে, মেইনটেন্যান্সসহ অনেক স্পেয়ার পার্টস বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে। বর্তমানে ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হওয়ায় স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যা রেলওয়ের আরও দুই বছর আগে নেওয়া দরকার ছিল। তা না হওয়ায় চার-পাঁচটি লোকোমোটিভ এখন অচল হয়ে পড়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশ ইন্টারন্যাশনাল লোকো বিল্ডার্সের স্থানীয় এজেন্ট। এজেন্ট ছাড়া লোকো বিল্ডার্স থেকে স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ের কোনো সুযোগ নেই। তবে ঠিকাদাররা যদি মন্ত্রী মহোদয়ের বরাবর এ বিষয়ে আবেদন দিয়ে থাকেন, তাহলে মন্ত্রী মহোদয় স্পেয়ার পার্টস ক্রয়ে যে নির্দেশনা বা পদ্ধতি অনুসরণের জন্য বলবেন, সেভাবেই অনুসরণ করা হবে।

রেলওয়ের সরঞ্জাম বা বৈদেশিক কেনাকাটায় বিজ্ঞজনের অভিমত, রেলওয়ে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান। যে যেভাবে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত, সে সেই অবস্থান থেকে কমিশন বাণিজ্যে লিপ্ত। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর হওয়ায় রেলওয়ের বৈদেশিক কেনাকাটায় দেশীয় সাপ্লায়ারদের কাজ দিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না সংশ্লিষ্টরা। সরাসরি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সার্ভিস কন্ট্রাক্টের আড়ালে কমিশন কন্ট্রাক্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছেন তারা। বিষয়টি সরকারের নজরে আনা দরকার।

প্রতিবেদক/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর