জুলাই আন্দোলনের সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৈঠকে কমিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং একে জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের আগে জুলাই যোদ্ধা, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সদস্য, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের সদস্য, বিরোধী দলের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করা হবে।
বৈঠকে বলা হয়, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়াকে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক করা হবে যাতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজেদের এ প্রক্রিয়ার অংশীদার মনে করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সংশোধনী প্রণয়ন করা হবে।
এ সময় কমিটি জানায়, জুলাই চেতনা ও জুলাই সনদকে ধারণ করেই সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
বৈঠকে কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও কমিটির সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টিএই/এমআই




