ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে কামরাঙ্গীরচরে সাত দিনের বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠে এ ঘোষণা দেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সাত দিনের বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, ‘আগামী সাত দিন প্রতিদিন কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি, আঙিনা ও ড্রেনে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘কামরাঙ্গীরচর সড়ককে আট লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে ইনার সার্কুলার রোড প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এ প্রকল্প সম্পন্ন হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি কামরাঙ্গীরচরের সামগ্রিক চিত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’
তিনি আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে নদী দখল প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’
এ সময় তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, ড্রেন ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত রেখে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য কামরাঙ্গীরচর গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।’
বক্তব্য শেষে তিনি কামরাঙ্গীরচর এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুড়িগঙ্গা গণপাঠাগার প্রাঙ্গণ এবং বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেন।
এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এম/এমআই




