শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

বঙ্গভবনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির অবস্থান নিয়ে ধূম্রজাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

শেয়ার করুন:

বঙ্গভবনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির অবস্থান নিয়ে ধূম্রজাল
ছবি: ঢাকা মেইল

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর রাজধানীর বঙ্গভবনে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে বাড়তি কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়নি। তবে রাষ্ট্রপতি বর্তমানে বঙ্গভবনে আছেন কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।  সরজমিনে বঙ্গভবনের পরিস্থিতি দেখা যায়, বঙ্গভবনের পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ঠিক আছে, কোনো কড়া নিরাপত্তা নেই।

উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সম্ভবত বঙ্গভবনে নেই। তবে অফিসিয়ালি কেউ কনফার্ম করছে না। 

সূত্র বলছে, তিনি সিএমএইচে ভর্তি আছেন বা ওইদিকে আছেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বঙ্গভবনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা তৈরি হলেও ঘটনাস্থলে তার কোনো দৃশ্যমান প্রভাব দেখা যায়নি। বঙ্গভবনের আশপাশে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন কিংবা বিশেষ নিরাপত্তা তৎপরতার খবরও পাওয়া যায়নি।

এর আগে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল। শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব এইচএম সাগর জানান, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। 

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। পদটি শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোতে জানানো হয়েছে। 

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত ও স্বাস্থ্যগত কারণের কথা সামনে এসেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এর পেছনে চলমান রাজনৈতিক চাপের বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। 

তবে বঙ্গভবনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি বঙ্গভবনে রয়েছেন নাকি চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে আছেন—এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এমএইচ/এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর