- ক্রয় পরিকল্পনাই এখন সবচেয়ে বড় বাধা
- অগ্রগতি থাকলেও শেষ করার নিশ্চয়তা নেই
- তদারকিতেও মিলেছে বড় ঘাটতি
- নতুন ঝুঁকি বৈশ্বিক বাজার
- তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভরতা কমেনি
- কোটি টাকার অডিট আপত্তি ঝুলে আছে
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে হাতে নেওয়া চারটি গ্যাস কূপ খনন প্রকল্প এখন সময় সংকট, ক্রয় জটিলতা, জনবল ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। প্রকল্পটির নির্ধারিত মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা করে সরকারি পর্যবেক্ষণে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। এ পরিস্থিতিতে প্রকল্পের মেয়াদ অন্তত আরও ছয় মাস, অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অন্যথায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকল্পটির নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের সার্বিক বাস্তব অগ্রগতি তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও ক্রয় কার্যক্রমের ধীরগতি এবং গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সময়মতো সংগ্রহ করতে না পারায় পুরো প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
‘২টি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (সুন্দলপুর-৪ ও শ্রীকাইল-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (সুন্দলপুর সাউথ-১ ও জামালপুর-১) খনন’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য একনেকে অনুমোদন পায়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি ঋণ থেকে ৪৭০ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বাপেক্সের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১১৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় চারটি কূপ খনন, পরীক্ষণ এবং কমিশনিং সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ৩৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ হলেও বাস্তব অগ্রগতি প্রায় ৭২ শতাংশ। তবে এই অগ্রগতির আড়ালে বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে ক্রয় কার্যক্রম। আইএমইডির ভাষ্য, অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব ধরনের ক্রয় সম্পন্ন করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। ফলে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার বাস্তব সম্ভাবনা নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি পণ্য ক্রয়ের জন্য ৩৫টি প্যাকেজের মধ্যে ৩৩টির দরপত্র আহ্বান করা হলেও সবগুলোর কার্যাদেশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রকল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি যন্ত্রপাতি, ৩০ থেকে ৩৫ টনের ক্রেন এবং টপ ড্রাইভ, ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সংগ্রহ করা সম্ভব হবে না বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে স্থানীয় পণ্য, নির্মাণকাজ এবং সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রেও একাধিক প্যাকেজের দরপত্র এখনো আহ্বান করা হয়নি কিংবা কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। এতে পুরো ক্রয় পরিকল্পনাই নির্ধারিত সময়সূচি থেকে পিছিয়ে পড়েছে।

প্রকল্প পর্যালোচনায় সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আইএমইডি। আইএমইডি জানিয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি ২০০৮-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। একই সঙ্গে আর্থিক ক্ষমতা অর্পণের বিধানও সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। যদিও সামগ্রিকভাবে সরকারি ক্রয়নীতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, তবু এসব বিচ্যুতি ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায়ও একাধিক দুর্বলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত জনবল থাকলেও বাপেক্সে জনবল সংকটের কারণে প্রকল্পে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের অন্য দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। ফলে প্রকল্পে পূর্ণসময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া বাপেক্সের সব রিগ একসঙ্গে পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত জনবল নেই বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে সিমেন্টিং, লগিং এবং ড্রিল স্টেম টেস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজের জন্য বাপেক্সকে এখনও তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নেও ঝুঁকি তৈরি করছে। তাই এসব ক্ষেত্রে নিজস্ব দক্ষ জনবল তৈরি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহের সুপারিশ করেছে আইএমইডি।
প্রকল্পটির তদারকি ব্যবস্থাও সন্তোষজনক নয় বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ডিপিপি অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) এবং প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) সভা নিয়মিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি। নিয়মিত তদারকি না থাকায় বিভিন্ন সমস্যা সময়মতো চিহ্নিত ও সমাধান করা সম্ভব হয়নি বলে পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
>> আরও পড়ুন
প্রকল্পের এক্সিট প্ল্যান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আইএমইডি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর কূপগুলো কোন বিভাগ পরিচালনা করবে, কী পরিমাণ জনবল লাগবে, কীভাবে মালামাল, যানবাহন, নকশা, প্রতিবেদন ও অন্যান্য সম্পদ হস্তান্তর ও সংরক্ষণ করা হবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফলে প্রকল্প শেষ হলেও পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এদিকে প্রকল্পে অডিট আপত্তিও রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিচালিত নিরীক্ষায় এক কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার ১৪২ টাকার একটি আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জবাব দিলেও তা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। অডিট আপত্তি ঝুলে থাকায় প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধ পরিস্থিতি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতের বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল সংগ্রহ বিলম্বিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এসব কারণে ভবিষ্যতেও প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন করে বিলম্ব দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
যদিও প্রকল্পের আওতায় শ্রীকাইল-৫ কূপ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং জামালপুর-১ কূপের কমিশনিং সম্পন্ন হয়েছে, তবুও আইএমইডির মূল্যায়ন বলছে, সামগ্রিক প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করছে বাকি কাজগুলো সময়মতো শেষ করার ওপর। কিন্তু বর্তমান ক্রয় পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

আইএমইডির সুপারিশে বলা হয়েছে, প্রকল্পের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শুধু এই প্রকল্পে পূর্ণসময়ের জন্য নিয়োজিত রাখতে হবে। একই সঙ্গে দরপত্র প্রক্রিয়াসহ প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সব কাজ প্রকল্প দপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা, বাপেক্সের নিজস্ব কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানো, নতুন জনবল নিয়োগ এবং যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় একই ধরনের সমস্যা ভবিষ্যতের প্রকল্পেও অব্যাহত থাকবে।
আইএমইডি বলছে, বর্তমান অবস্থায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। তাই জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্পের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এই সুপারিশ বাস্তবায়ন না হলে শুধু চারটি গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পই নয়, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, এলএনজি আমদানি কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের বৃহত্তর লক্ষ্যও বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।
প্রকল্প পরিচালক মোজাম্মেল হক বলেন, চার গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। ৪৪টি ক্রয় প্যাকেজের মধ্যে ৩৫টির দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং অধিকাংশ মালামাল ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। মাত্র দুটি প্যাকেজের মালামাল এখনো আসা বাকি রয়েছে।
>> আরও পড়ুন
তিনি জানান, বাপেক্সের স্টোরে থাকা মালামাল প্রকল্পের কাজে ব্যবহার করা প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত চর্চা। ডিপিপি প্রণয়নের সময় সব ক্ষেত্রে শতভাগ নির্ভুল ব্যয় প্রাক্কলন করা সম্ভব হয় না। পাশাপাশি অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে। সুন্দলপুর-৪ ও সাউথ-১ কূপে যথাক্রমে ৩০ এপ্রিল ও ১৫ মে রিগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রীকাইল-৫ কূপ থেকে ইতোমধ্যে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা বলেন, দেশের বর্তমান গ্যাস সংকটের প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। নতুন কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়বে, এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং চাহিদা ও সরবরাহের বিদ্যমান ঘাটতি অনেকটাই দূর হবে। তবে এ জন্য নতুন সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণও জরুরি।
বাপেক্সের কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দলপুর-৪ ও সাউথ-১ কূপ খননের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ এখনো দেওয়া সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রক্রিয়া ধীরগতির হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশ ছাড়পত্র ও ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ভবিষ্যতে প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণের সময় এসব প্রক্রিয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় রাখার পাশাপাশি বাপেক্সে স্থায়ী সার্ভেয়ার নিয়োগেরও প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মত দেন।
বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে মন্ত্রণালয় ও বাপেক্স বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে স্টোরে থাকা মালামাল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের গতি ধরে রাখতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। ওয়েলহেড কেনার ক্ষেত্রে প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় চুক্তিমূল্য কম হওয়ার কারণ হলো চারটির পরিবর্তে দুটি ওয়েলহেড ক্রয় করা হয়েছে। একইভাবে বিভিন্ন লটে ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনার কারণেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় কমেছে।
আরও পড়ুন:
গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান গ্যাস সংকট, এলএনজির উচ্চমূল্য এবং দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়ার বাস্তবতায় এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণ অত্যন্ত যৌক্তিক। আরও বেশি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়বে এবং জিটিসিএলের বিদ্যমান সঞ্চালন অবকাঠামো আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সাবেক সদস্য ও পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, বাপেক্সের রাজস্ব আয় বাড়াতে ফেনী গ্যাস সঞ্চালন লাইনটি দ্রুত সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। এ লাইন চালু হলে সুন্দলপুর ও বেগমগঞ্জ এলাকার গ্যাস সহজেই জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় যুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, বাপেক্স দক্ষতার সঙ্গে নিরলসভাবে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখা উচিত।
এএইচ/এএস




