প্রধানমন্ত্রীর সফরের একদিন আগে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন সরকারের তিন প্রতিমন্ত্রী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেন।
আকস্মিকভাবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট ধরে তিন প্রতিমন্ত্রী লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকায় হাজার হাজার পর্যটকদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে মত বিনিময় করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীগণ পর্যটকদের কাছে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা জানতে চান।
বিজ্ঞাপন
নারী ও শিশু, বয়স্ক পর্যটকসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সর্বস্তরের পর্যটকদের নিরাপত্তা, বীচের পরিচ্ছন্নতা, টুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের তৎপরতাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা জানতে চান। এ সময় সময় পর্যটকরা তাদের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন এবং বিচ ম্যানেজমেন্ট ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তারা প্রতিমন্ত্রীদের কাছে সমুদ্র সৈকতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রেখে আরও আধুনিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
উত্তরে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে কক্সবাজারকে পর্যটন হাব এবং বাংলাদেশের অন্যান্য সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অত্যাধুনিক হোটেল মোটেল স্থপনাসহ পর্যটক বান্ধব গড়ে তোলা হবে।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনকালে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক, টুরিস্ট পুলিশের এসপিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিইউ/এমআই




