বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও হাই-টেক খাতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

শেয়ার করুন:

Invest
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও হাই-টেক খাতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধশালী দেশ চীন। 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই প্রস্তাব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।


বিজ্ঞাপন


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ বাংলাদেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং শিল্প খাতে চীনের বড় ধরনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়কালীন সুদৃঢ় সম্পর্কের কথা তিনি স্মরণ করেন।

7
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিনের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের মুহূর্ত। ছবি- ঢাকা মেইল

রাষ্ট্রদূত জানান, চীন বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশেষ করে হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রি, সোলার পাওয়ার, আইসিটি, ই-ভেহিকলস, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং কৃষি খাতে (বীজ ও সার) যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে একটি ‘চাইনিজ ইপিজেড’ স্থাপনের সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীন বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক (ভোকেশনাল) শিক্ষায় প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সুযোগ বাড়ানো এবং কারিকুলাম উন্নয়নে সহায়তা করার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত। এছাড়া বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং তৃতীয় ভাষা হিসেবে চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ, বিশেষ করে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগকে স্বাগত জানায় চীন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চীন প্রস্তুত।

এছাড়া শ্রমবাজারে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু এবং ঢাকার গণপরিবহনে ইলেকট্রিক বাস চালুর বিষয়েও বৈঠকে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। 

দুই দেশের মধ্যে ‘পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি’ বা মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মাহদী আমিন ও ইয়াও ওয়েন।

বিইউ/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর