ইভিএম প্রকল্পে অডিট অধিদফতর হতে বিভিন্ন অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি এবং প্রকল্পটির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীন তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিজ্ঞাপন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আওতায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইভিএম ক্রয়ে ৩ হাজার ৮২৫ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০১৮ হতে জুন ২০২৪ মেয়াদে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ জুলাই ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন এর ০৮/২০২৫তম সভায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বর্তমানে ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেইজমেন্টে সংরক্ষিত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, ইভিএমগুলো অর্পিত ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ক্রয় করা হয়। প্রকল্পটি গত জুন ২০২৪ সালে সমাপ্ত হয়েছে এবং প্রকল্প সমাপ্তি প্রতিবেদন (পিসিআর) গত ১৩ মে ২০২৫ তারিখে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে প্রেরণ করা হলেও অদ্যাবধি মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। ইভিএম প্রকল্পে অডিট অধিদফতর হতে বিভিন্ন অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে যা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। প্রকল্পটির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীন তদন্ত চলমান রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এমএইচএইচ/এমআই




