দেশে চলমান জ্বালানি সমস্যা সমাধানের সুপারিশ তৈরিতে সরকার ও বিরোধী দল মিলে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটির প্রধান হচ্ছেন- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সংসদে প্রধানমন্ত্রী এ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে তিনি তার দলের পাঁচ সদস্যের নামও প্রস্তাব করেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে এক নোটিশ আলোচনায় কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিরোধী দলীয় নেতাও এ কমিটিকে স্বাগত জানান। তিনি শিগগিরই বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের প্রস্তাব সংসদে জানাবেন বলে উল্লেখ করেন।
সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর সংসদে ফ্লোর দেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বুধবারের জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের আলোচনার প্রসঙ্গ তোলেন।
বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা যে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, বলেছেন ওনাদের কাছে কিছু পরামর্শ আছে। সরকারি দল এবং বিরোধী দল আমরা একসঙ্গে সেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারি। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে জাতীয়তাবাদী দল যেকোনো আলোচনা যে কারও সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তারই প্রেক্ষাপটে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করছি। বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিরোধী দলকে অনুরোধ করব, ওনারাও যদি পাঁচজনের নাম দেন, তাহলে এই ১০ জন বসে এ বিষয়গুলো আলোচনা করতে পারেন।’
পরে প্রধানমন্ত্রী তার দলের পাঁচজনের নাম ঘোষণা করেন। বিদ্যুৎমন্ত্রী ছাড়াও সরকারি দলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন- জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান, মঈনুল হোসেন খান শান্ত ও নুরুদ্দিন অপু।
পরে বিরোধী দলীয় নেতা সংসদে উঠে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ বিষয়টাকে ইতিবাচকভাবে নেওয়ার জন্য। আশা করি এই সংসদ জাতীয় সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে। আমরা মনে করি, এই সংসদের জন্য এটি একটি নবযাত্রা। এটাকে আমি সাধুবাদ জানাই এবং আমরা শিগগিরই ইনশাল্লাহ পাঁচজনের নাম দেব।’
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কমিটির একজন সভাপতি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানিমন্ত্রী এ কমিটির সভাপতি হবেন।’
টিএই/এএইচ




