গেল সপ্তাহে (১২ থেকে ১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ও এআই দিয়ে তৈরি ছবির ছড়াছড়ি দেখা গেছে। রিউমর স্ক্যানারের ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রমে এসব গুজবের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের নববর্ষ উদযাপনের ভুয়া ছবি প্রচার
বিজ্ঞাপন
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে গত ১৪ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রচার করে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার মেয়ে জাইমা রহমান এবং গৃহপরিচারিকা ফাতেমা পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে একসঙ্গে বসে পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ ও শাক খাচ্ছেন।
রিউমর স্ক্যানার টিম জানায়, আলোচিত ছবিগুলো তারেক রহমান, জাইমা রহমান ও ফাতেমার পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আসল ছবি নয়, বরং ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
কৃষক কবির হোসেনের বিলাসবহুল ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি
গত ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে কৃষক কার্ড পান কবির হোসেন নামের এক কৃষক। এর প্রেক্ষিতে কবির হোসেনের বিলাসবহুল চলাফেরা ও পোশাকের কয়েকটি ছবি ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

রিউমর স্ক্যানার টিম জানা যায়, কবির হোসেনের বিলাসবহুল ছবিগুলো বাস্তব নয়। প্রকৃতপক্ষে, আলোচিত ছবিগুলো কবির হোসেন নিজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি করে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেন, যা সম্প্রতি বাস্তব দাবিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে মারজুক রাসেলের নামে ভুয়া পেজ, ছড়াচ্ছে বানোয়াট মন্তব্য
বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবি, গীতিকার ও অভিনেতা মারজুক রাসেল। সম্প্রতি, নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কোহিনুর আক্তার রাখিকে “এখন পেটায় কার পুলিশে? কার পুলিশে সো’দে? এখন শা’ও’য়া’য় তাপ লাগে না চৈত্র মাসের রোদে!” শীর্ষক বাক্য যুক্ত একটি পোস্ট শেয়ার করতে দেখা যায়। কোহিনুর আক্তার রাখি যে পোস্টটি শেয়ার করেছেন সেই পেজটির নাম “Marzuk Russel”। পেজেটিতে ফলোয়ার রয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত পেজটি মারজুক রাসেলের নিয়ন্ত্রণে নেই। তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অন্য কেউ এই পেজটি পরিচালনা করছেন বলে রিউমর স্ক্যানারকে জানান অভিনেতা নিজেই।
কবি, গীতিকার ও অভিনেতা মারজুক রাসেল নাম ও ছবি ব্যবহার করে নিয়মিত পোস্ট করা অন্তত চারটি পেজের সন্ধান পেয়েছে রিউমর স্ক্যানার। চারটি পেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পেজগুলোতে প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি ফলোয়ার যুক্ত রয়েছে এবং পেজগুলো থেকে সাড়ে সাত হাজারের বেশি পোস্ট করা হয়েছে।
অভিনেতা মারজুক রাসেলের নাম ও ছবি ব্যবহার করে খোলা পেজগুলো থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করা হচ্ছে। পোস্টগুলো মারজুক রাসেলই করছেন ভেবে ধরে নিচ্ছে নেটিজেনরা। যার ফলে প্রতিনিয়ত বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে এই অভিনেতাকে।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই রাজধানীর ডিবি কার্যালয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মারজুক রাসেল। তবে, সমস্যার কোনো সুরাহা হয়নি।
মারজুক রাসেল বলেন, ‘আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনেকগুলো ভুয়া পেজ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। যেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ও সম্পৃক্ততা নেই এবং পোস্টগুলোও আমার দেওয়া নয়। বিষয়টি নিয়ে আমি বিব্রত হচ্ছি। যারা আমাকে চেনেন, বিশেষ করে আমার লেখালেখি, অভিনয়, জীবন-যাপন সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তারা জানেন-এগুলো ফেক পেজ। এই পেজগুলোর কারণে আমি আমার দর্শক, ভক্তদের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছি।’
আওয়ামী লীগ সম্পর্কে মিশা সওদাগরের নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
সম্প্রতি, চলচ্চিত্র অভিনেতা খলনায়ক মিশা সওদাগরকে উদ্ধৃত করে ‘দেখতেছি পুরো একটি জেনারেশন শেখ হাসিনার ভক্ত হয়ে গেছে। যাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হবে।’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
চ্যানেল২৪ এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মিশা সওদাগর এমন মন্তব্য করেননি। বর্তমানে আমেরিকায় অবকাশযাপনে থাকা অভিনেতা দেশে এসে আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

রিউমর স্ক্যানার টিম জানায়, আওয়ামী লীগকে নিয়ে এমন কোনো মন্তব্য করেননি মিশা সওদাগর। প্রকৃতপক্ষে, কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই উক্ত মন্তব্যটি তার নামে প্রচার করা হয়েছে।
ড. ইউনূসের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড দাবিতে এআই ছবি প্রচার
সম্প্রতি, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি প্রচার করা হয়েছে।

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দাবিতে প্রচারিত ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি ছবিকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
তামিম ইকবালকে নিয়ে মাশরাফির নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজাকে উদ্ধৃত করে ‘আমাদের আসলে কপাল পোড়া আমরা রাজনীতিতে আসলাম আর Gen-Z রা মিমার, ট্রেলার হয়ে গেলো। এই Gen-Z দের সঙ্গে বিরোধ করে ক্ষমতায় কেউ টিকতে পারবে না। রাজনীতিতে আসার আগে তামিমের উচিত ছিলো আমার আর সাকিবের পরিস্থিতি বিবেচনা করা। মনে হচ্ছে Gen-Z দের শেষ মারাটা BNP আর তামিম খাবে।’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, তামিম ইকবালকে নিয়ে এমন কোনো মন্তব্য করেননি মাশরাফি বিন মর্তুজা। প্রকৃতপক্ষে, কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই উক্ত মন্তব্যটি তার নামে প্রচার করা হয়েছে।

অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্ট পর্যালোচনা করে তাতে কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মাশরাফির ফেসবুক পেজ পর্যালোচনা করেও আলোচিত দাবি সংবলিত কোনো পোস্টের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে তার এমন মন্তব্য করার সত্যতাও পাওয়া যায়নি। মাশরাফির মতো ব্যক্তি এমন মন্তব্য করলে সে বিষয়ে গণমাধ্যমগুলোতে ঢালাওভাবে সংবাদ প্রচার হতো।
হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এমন ছবিটি ভুয়া
সম্প্রতি ‘বিএনপিতে যোগ দিলেন হাসানাত আব্দুল্লাহ।’ শিরোনামে মূলধারার গণমাধ্যম যমুনা টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। ফটো কার্ডে এ সংক্রান্ত একটি ছবিও যুক্ত করা হয়েছে।

রিউমর স্ক্যানার টিম জানায়, ‘বিএনপিতে যোগ দিলেন হাসানাত আব্দুল্লাহ।’ শিরোনামে যমুনা টিভি আলোচিত ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। প্রকৃতপক্ষে, যমুনা টিভির ফটোকার্ড ডিজাইনের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তার আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও, এ সংক্রান্ত ছবি দাবিতে প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।
ইমামতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানার নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা “জামায়াতের হুজুর যদি রাজাকার হয় তাহলে এলাকার মসজিদ-মাহফিলে হুজুর না রেখে বিএনপি নেতাকর্মী এনে তাদের দিয়ে মাহফিল ও মসজিদের ইমামতি করান” শীর্ষক মন্তব্যটি করেছেন বলে একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, জামায়াত এবং বিএনপিকে জড়িয়ে রুমিন ফারহানা এমন কোনো মন্তব্য করেননি বরং, কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই আলোচিত মন্তব্য রুমিন ফারহানা করেছেন দাবিতে ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
নারী শিশু শিক্ষার্থীকে কথিত ছাত্রদল নেতার অপহরণ দাবিতে ভারতের ভিডিও প্রচার
সম্প্রতি, এক নারী শিশু শিক্ষার্থীকে কথিত ছাত্রদল কর্মীর অপহরণের দৃশ্য দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি নারী শিক্ষার্থীর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ভিডিওর শেষাংশে দেখা যায়, ওই শিক্ষার্থী প্রতিরোধ করে নিজেকে তার হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়।
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত ভিডিওটি কোনো ছাত্রদল কর্মীর নারী শিশু শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের উত্তর প্রদেশের হাপুর জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনার ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে U.P East Youth Congress-এর ফেসবুক পেজে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি একই ভিডিওটি প্রচারিত হতে দেখা যায়। ভিডিওটির শিরোনামে উল্লেখ করা হয়, এটি ভারতের উত্তর প্রদেশের হাপু জেলায় দিনেদুপুরে এক নারী স্কুল শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনার ভিডিও।
তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দাবিতে পুরোনো বক্তব্য প্রচার
সম্প্রতি দেশীয় নানা গণমাধ্যমে দাবি প্রচার করা হয়েছে, ফিলিস্তিন ও লেবাননে হামলার অভিযোগ এনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, “আমরা যেভাবে কারাবাখ ও লিবিয়ায় প্রবেশ করেছি, প্রয়োজনে একইভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিতে পারি।”

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেননি যা স্বয়ং তুরস্ক সরকার নিশ্চিত করেছে। এছাড়া, কারাবাখ ও লিবিয়ার উদাহরণ টেনে বলা এরদোয়ানের সতর্কবার্তা বা হুমকিটি সাম্প্রতিক সময়ের নয় বরং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের।
মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসের মৃত্যুর ভুয়া দাবি প্রচার
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস আজ মালয়েশিয়ার একটি বিখ্যাত হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’ শীর্ষক একটি পোস্টের স্ক্রিনশট প্রচার হতে দেখেছে রিউমর স্ক্যানার।
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, মির্জা আব্বাসের মৃত্যুসংক্রান্ত প্রচারিত দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভুয়া স্ক্রিনশট ব্যবহার করে ভিত্তিহীন দাবিটি প্রচার করা হয়েছে।

এই বিষয়ে অনুসন্ধানে কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যমে উক্ত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং, মির্জা আব্বাসের একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেলের বরাত দিয়ে একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। উন্নত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসার জন্য ১৪ এপ্রিল তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়েছে।
মিজানুর রহমান সোহেল জানান, বর্তমানে মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার পরবর্তী চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলবে মালয়েশিয়ায়। দ্রুত সুস্থতা কামনায় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ওসমান হাদির কবরস্থানে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি সরকার, ফটোকার্ড সম্পাদনা করে অপপ্রচার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছবি ব্যবহার করে ‘ওসমান হাদীর কবরস্থানে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ’ শিরোনামে একটি ফটোকার্ড তার মন্তব্য দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সালাহউদ্দিন আহমেদ এমন কোনো মন্তব্য করেননি এবং বিএনপি সরকারও এমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। প্রকৃতপক্ষে, নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই একটি গণমাধ্যমের ফটোকার্ড সম্পাদনা করে নকল ফটোকার্ড তৈরি করে তার নামে ভুয়া মন্তব্য ছড়ানো হয়েছে।
এমআই




