সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

‎ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রতারণা চক্রের সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

শেয়ার করুন:

‎ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রতারণা চক্রের সদস্য গ্রেফতার
‎ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রতারণা চক্রের সদস্য গ্রেফতার

‎ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড প্রতারণা চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি’র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট। চক্রের সদস্যরা ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড সংক্রান্ত প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাত করে।

‎রোববার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টায় দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতার ব্যক্তি হলেন- মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার তাজনগর বাইসপাড়া গ্রামের মো. আনসার আলীর সন্তান।

‎সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, খুলনা বিদ্যুৎ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গত ৬ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির কল পান। কলকারী নিজেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ‘নেক্সাস পে’ ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড আপগ্রেডেশন সংক্রান্ত কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে কার্ডের তথ্য হালনাগাদের কথা বলে। সরল বিশ্বাসে ভুক্তভোগী তার ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য প্রদান করেন। এর সুযোগ নিয়ে প্রতারক চক্র ৭ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ১২টি অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন করে এবং সর্বমোট ১৩  লাখ ৭৫ হাজার ৫১৫ টাকা আত্মসাৎ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

‎মামলাটি সিআইডি অধিগ্রহণ করার পর সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিটের একটি চৌকস দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে এবং অভিযানের মাধ্যমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

জসীম উদ্দিন আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করে যে, সে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তার ভাষ্যমতে, ২০২৩ সাল থেকে টেলিগ্রাম নামক একটি মেসেজিং অ্যাপে বিভিন্ন অনলাইন কাজের প্রলোভনে পড়ে সে প্রতারক চক্রটির সঙ্গে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে চক্রটির নির্দেশনায় সে ‘লাইন বিট’ ও ‘রেডি’ নামীয় অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতারক চক্রকে সহায়তা করত। একই সঙ্গে আত্মীয়-স্বজনের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যাদি সংগ্রহ করে সেগুলোতে অবৈধ অর্থ লেনদেনের কাজে ব্যবহার করত।

‎গ্রেফতার অভিযুক্তকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

‎একেএস/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর