মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

শেয়ার করুন:

DSCC
নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। ইনসেটে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। ছবি: ঢাকা মেইল

রাজধানীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে একথা জানান তিনি।


বিজ্ঞাপন


মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে এই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে জয়ী হতে হবে।’

ডিএসসিসি এলাকার ১০টি অঞ্চলের মোট ১ হাজার ৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও মশককর্মীর জন্য এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। মোট ৫টি ব্যাচে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।

প্রশিক্ষণে মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি কীটনাশকের নিরাপদ ও সঠিক ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির দক্ষ পরিচালনার বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে বলে ডিএসসিসি জানায়।


বিজ্ঞাপন


প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমাদের মশক নিধনে ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিউন ও টেমিফস ওষুধের কার্যকারিতা আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরীক্ষায় শতভাগ সফল প্রমাণিত হয়েছে। ওষুধের এই কার্যকারিতার সুফল নগরবাসীকে দিতে হলে মাঠপর্যায়ে এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্যই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন।’

উল্লেখ্য, ডিএসসিসি এলাকায় রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং (লার্ভা নিধন) এবং বিকাল ৪টা হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং (উড়ন্ত মশা নিধন) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে চিহ্নিত ‘হটস্পট’গুলোতে সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

প্রশিক্ষণ সেশনে ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিনিধিগণ প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশিক্ষণে মশককর্মীদের জনসচেতনতা সৃষ্টি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডিএসসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এএম/এমআই

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর