নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের নিয়োগ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনবল সংকট দূর করতে পর্যায়ক্রমে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। মঙ্গলবারের প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে ১ লক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ৪৮তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ২৯৮৪ জন সহকারী সার্জন ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ৪৪তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ১৮জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) ও ২২জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস ডাক্তার)-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীর মোট পদ সংখ্যা-১৯৬, কর্মরত-১৩৮ এবং শূন্য পদ-৫৮টি। চিকিৎসকদের ১ম থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৩১টি পদের বিপরীতে ২১ জন কর্মরত আছেন এবং ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। নার্সদের ক্ষেত্রে মোট ৩৬টি পদের মধ্যে ৩৫টি পদ পূরণকৃত এবং ১টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া ১১তম থেকে ১৬তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের মোট ১০২টি পদের মধ্যে ৬৭টি পদ পূরণকৃত এবং ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট ২৭টি পদের বিপরীতে ১৫টি পদ পূরণকৃত এবং ১২টি পদ শূন্য-রয়েছে।
জানা যায়, এসব শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমএইচএইচ/এমআই

