সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
রোববার (১৫ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এক সংক্ষিপ্ত সফরে সাভার এবং কুমিল্লা সেনানিবাসে গমন করেন। সফরকালে, সেনাবাহিনী প্রধান প্রথমে সাভার সেনানিবাস সংলগ্ন আর্মি ইন্সটিটিউট অব ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
২০০ শয্যাবিশিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানে স্নায়ুরোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, অভিযানিক দায়িত্বে ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিবর্গের প্রচলিত ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির পাশাপাশি আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা প্রদান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা সেনানিবাসের সন্নিকটে অবস্থিত আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা এর নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন এবং ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
গত ১১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখ কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব জায়গায় এরিয়া সদর দপ্তর, কুমিল্লা কর্তৃক প্রদত্ত ৫ একর জমির উপর আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা এর একাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
আজ রোববার সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাসের সন্নিকটে ৭.০৭ একর জমির উপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হলো। বর্তমানে এ কলেজে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী সাফল্যের সাথে চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশ ও বিদেশে কর্মরত রয়েছেন।
এছাড়াও আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিধি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সম্প্রসারিত করবে।
উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল; ডাইরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস; ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ; এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া; সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ; মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একেএস/

