শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

এলিফ্যান্ট রোডের মার্কেটগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়লেও বিক্রি এখনও জমেনি

মোস্তফা ইমরুল কায়েস
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

শেয়ার করুন:

এলিফ্যান্ট রোডের মার্কেটগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়লেও বিক্রি এখনও জমেনি
এলিফ্যান্ট রোডের মার্কেটগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়লেও বিক্রি এখনও জমেনি। ছবি: ঢাকা মেইল

ঈদুল ফিতরের এখনো প্রায় প্রায় ১৫ দিন বাকি। কিন্তু তার আগেই শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট জমে উঠলেও এলিফ্যান্ট রোডের মার্কেটগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়লেও বিক্রি বাড়ছে না। বিক্রি বাড়তে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, তারা জামা-কাপড়ের দাম দেখছেন, কয়েকদিন পর কিনবেন। আবার কেউ কেউ দামে বনিবনা হলে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে এলিফ্যান্ট রোডে থাকা কয়েকটি মার্কেট ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এলিফ্যান্ট রোডে থাকা বেস্ট ওয়ান শো রুমে ভিড় জমেছে। এখানে রয়েছে হরেক রকমের পাঞ্জাবি। শো রুমটির তিনটি আউটলেট ঢাকায় রয়েছে। এখানে দেড় হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে। শো রুমটির সিনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ সালেহ ইমরান বলেন, এবার ক্রেতা বেড়েছে কিন্তু বিক্রি কম। তবে যা বিক্রি হচ্ছে, তার মধ্যে মোটা কাপড়ের চাহিদা বেশি।

পাশেই থাকা তাভাস নামে আরেকটি পাঞ্জাবির শো রুমে চলছে বিশাল অফার। শো রুমটি থেকে পাঁচ হাজার টাকার কাপড় কিনলেই নাকি তারা রয়েল ইন ফিল্ড মোটরসাইকেল পুরস্কার দেবেন। এজন্য অনেকে শো রুমে ঢুকছেন এবং কেনাকাটাও করার চেষ্টা করছেন।

তাভাসের বিক্রয়কর্মী সাগর তালুকদার জানালেন, তারা ২ হাজার ৭০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় পাঞ্জাবি বিক্রি করছেন। আবার কেউ ৫ হাজার টাকার ওপরে কেনাকাটা করলে ডিসকাউন্ট কার্ড পাবেন, যার সর্বোচ্চ পুরস্কার রয়েল ইন ফিল্ড।


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন: ঈদের কেনাকাটায় নিউ মার্কেট এলাকায় ক্রেতার ঢল, তীব্র যানজট

পাঞ্জাবি ছাড়াও প্যান্ট, শার্ট, ফতুয়া বিক্রি করছে মেনস ওয়ার্ল্ড। তাদের সারাদেশে প্রায় অর্ধ শতাধিক শো রুম রয়েছে। শো রুমটির বিক্রয়কর্মী মেহেদী হাসান বললেন, আমাদের বিক্রি হচ্ছে, তবে গতবারের তুলনায় কম।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, অধিকাংশ ক্রেতারা এই সময়ে কাপড় দেখছেন ও দাম যাচাই করছেন। বাজেটের অনুপাতে কেউ কেউ কিনছেন।

তবে এই রোডের মার্কেট ছাড়াও ভাসমান দোকানেও কেউ কেউ কেনাকাটা করছেন। ভাসমান দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে পাজামা। প্রতি পাজামা ৫০০ টাকায় হাঁকডাক চলছে। অন্যদিকে একই সারিতে ছোটদের পাঞ্জাবির ভাসমান দোকান বসেছে।

রিপন জানালেন, তার দোকানে দুই বছরের ছোট বাচ্চা থেকে ১২ বছরের বাচ্চার পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা। 

এমআইকে/এআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর