মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক, ধর্মীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৩ এএম

শেয়ার করুন:

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক, ধর্মীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
ধর্মীয় সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া

বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ধর্মবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সিনেটর ড. জুলকিফলি হাসানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এই বৈঠক হয় ভার্চুয়ালী।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ধর্ম বিষয়ক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে হজ ব্যবস্থাপনা, যাকাত প্রশাসন এবং ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। উভয় পক্ষই হজ কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হজযাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ, আবাসন ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করা হয়।

যাকাত ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার এবং উপকারভোগীদের তথ্যভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

দুই দেশের প্রতিনিধিরা যাকাত তহবিলের কার্যকর ব্যবহার ও দারিদ্র্য বিমোচনে এর ভূমিকা আরও ফলপ্রসূ করার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমসাময়িক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও যুগোপযোগী করতে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, গবেষণা সহযোগিতা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

বিশেষ করে প্রযুক্তি-সমন্বিত শিক্ষা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধ জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়নে যৌথ প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়।

উভয় মন্ত্রী পারস্পরিক সম্মান ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে ধর্ম বিষয়ক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠককে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, আলোচিত বিষয়গুলো বাস্তবায়িত হলে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর