তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের (সংশোধিত-২০১৩) যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি-বিআরটিএ’র উদ্যোগ ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ড্যাম) স্বাস্থ্য সেক্টরের সহযোগিতায় মোট ৬৬৫ জন গণপরিবহন চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা আহছানিয়া মিশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি মাসে সাত ধাপে রাজধানীর জোয়ার সাহারা বিআরটিসি বাস ডিপোতে ‘পেশাজীবি গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ শিরোনামে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে পেশাদার গাড়ি চালকদের মাঝে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন ও স্বাস্থ্য ক্ষতি বিষয়ক তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার অদুত রহমান ইমন।
বিজ্ঞাপন
প্রশিক্ষণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধুমপানের কুফল, স্বাস্থ্য ঝুঁকি, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে গণপরিবহন চালকদের (বাস,সিএনজি, লেগুনা, টেম্পু) অবহিত করা হয়।
আরও পড়ুন:
মাদকাসক্ত চালককে ধরে পুলিশে দিল পথচারীরা
প্রশিক্ষণে জানানো হয়, চালক ও চালকের সহকারীদের ধূমপানের ফলে গণপরিবহনে পরোক্ষভাবে ধূমপানের শিকার হন যাত্রীরা, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা। ফলে ধূমপান না করেও একই রকম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তারা।
এসময় ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে অংশ্যগ্রহণকারী চালকদের গণপরিবহনে ধূমপানের অপকারিতা বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা ও আইনের বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে বাস চালকদের সামনে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এতে বলা হয়, পাবলিক প্লেস যেমন বাস টার্মিনাল, বিমান বন্দর, রেলষ্টেশন, নৌ-বন্দর, সরকারী বিভিন্ন অফিসসহ গণ-জমায়েত স্থলে ধূমপান আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আরও বলা হয়, যেসব স্থানে প্রত্যক্ষ ধূমপানকারিদের কারণে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন অনেক শিশু-মহিলাসহ সকল অধূমপায়ীরা।
গণপরিবহন শতভাগ তামাকমুক্ত রাখা ও আইনের বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বিআরটিএ’র যৌথ উদ্যোগে প্রতি সপ্তাহেই নিয়মিতভাবে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এমআইকে/এএম

