রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে, ব্যয় ছাড়াল ৩ হাজার ১৫০ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম

শেয়ার করুন:

নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে, ব্যয় ছাড়াল ৩ হাজার ১৫০ কোটি
নির্বাচন কমিশন ভবন। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তে সরকারের নির্বাচনি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, দুটি আয়োজন মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকায়।

গণভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য নির্বাচনি বাজেট থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে ছয়টি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচ্ছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এছাড়া সাংস্কৃতিক, তথ্য, ধর্ম, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও এই বরাদ্দের অন্তর্ভুক্ত।

ইসি সূত্র জানায়, গণভোট প্রচারে এলজিইডিকে দেওয়া হয়েছে ৭২ কোটি টাকা। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় পেয়েছে ৪৬ কোটি টাকা। তথ্য, ধর্ম, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় তুলনামূলকভাবে কম অঙ্কের বরাদ্দ পেয়েছে। এর মধ্যে চারটি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে অর্থ ছাড় পেয়েছে, বাকি দুটি মন্ত্রণালয় অনুমোদনের পর অর্থ গ্রহণ করবে।

মোট নির্বাচনি ব্যয়ের বড় অংশ ব্যয় হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে। এই খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা। নির্বাচন পরিচালনায় ব্যয় হবে আরও এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচনি ব্যয় তিন হাজার কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়েছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, শুরুতে সংসদ নির্বাচনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। পরে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত আসায় অতিরিক্ত বাজেট চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরও ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

গণভোটের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানো, কর্মী নিয়োগ, যাতায়াত, খাম ও অন্যান্য নির্বাচনি সামগ্রী কেনা হচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনসংযোগ শাখা থেকেও প্রচারে ব্যয় করা হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বড় পরিসরের প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না। প্রচার কার্যক্রম মূলত টেলিভিশন ও রেডিও বিজ্ঞাপন, লিফলেট বিতরণ এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যানার প্রদর্শনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, গণভোটের প্রচারে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরা, ব্যানার ও ফেস্টুন তৈরির কাজ কিছু উপদেষ্টার সুপারিশে তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

এমআর/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর