শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ঢাকা

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে হতাশ সৌদি আরব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

শেয়ার করুন:

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে হতাশ সৌদি আরব
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে হতাশ সৌদি আরব। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়া চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে সৌদি আরব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ কাজ শেষ না হলে সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এতে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় শনিবার সব লিড এজেন্সির স্বত্বাধিকারী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অংশীদার ও মোনাজ্জেমদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছে।


বিজ্ঞাপন


চিঠিতে বলা হয়, সৌদি সরকারের ঘোষিত হজ রোড ম্যাপ অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হজযাত্রীদের জন্য মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়া চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। এ সময়সীমা কোনোভাবেই বাড়ানো হবে না।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ জানুয়ারি সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এক ভার্চ্যুয়াল সভায় জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য এজেন্সিগুলোর বাড়ি ভাড়া করার অগ্রগতি খুবই হতাশাজনক। তিনি এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো এজেন্সি বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে যেসব হজযাত্রীর জন্য বাড়ি ভাড়া অবশিষ্ট থাকবে, তাঁদের তাঁবু ও সার্ভিস প্যাকেজ বাতিল হয়ে যাবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়, ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্ম থেকে পাওয়া প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩০টি লিড এজেন্সির মধ্যে মক্কায় মাত্র ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং মদিনায় ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ১১টি লিড এজেন্সি এখনো মক্কা বা মদিনার কোনো স্থানেই বাড়ি ভাড়া কার্যক্রম শুরু করেনি।

সৌদি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বাড়ি ভাড়া, পরিবহন চুক্তি, কোরবানিসহ সৌদি পর্বের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব লিড এজেন্সিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ কাজে অর্থ পাঠানোর প্রয়োজন হলে আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে এজেন্সিগুলোর সৌদি আরবে থাকা আইবিএএন হিসাবে অর্থ পাঠানো নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়, সৌদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাড়ি ভাড়াসহ সব কার্যক্রম সম্পন্ন না করার কারণে যদি কোনো হজযাত্রীর হজে যাওয়া অনিশ্চিত হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকেই বহন করতে হবে।

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর