রাজধানী ঢাকায় নিজ বাসায় খুন হলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫)। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় নিজ বাসায় ঘরের গ্রিল কেটে ঢুকে তাকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
বিজ্ঞাপন
নিহত আনোয়ার উল্লাহ শেরে বাংলা নগর দক্ষিণ থানার জামায়াতে ইসলামীর একজন রোকন ছিলেন। পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও হোমিও চিকিৎসকও ছিলেন।
জানা যায়, সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে পশ্চিম রাজাবাজারে আনোয়ার উল্লাহর বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে দুর্বৃত্তরা। এরপর তার মুখে কাপড় গুঁজে শ্বাসরোধ করে বাসায় থাকা নগদ পাঁচ লাখ টাকাসহ ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।
নিহতের স্বজনরা দাবি করছেন, এ ঘটনা শুধু চুরিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
বিজ্ঞাপন
ঘটনা নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক জানান, রাতে ঘরের গ্রিল কেটে একদল চোর প্রবেশ করে। এ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী। তাদের দুজনের হাত-পা ও মুখ বেঁধে চোর চক্র ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আনোয়ার উল্লাহ মারা যান।’
এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান শেরেবাংলা নগর থানার ওসি।
এদিকে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় পশ্চিম রাজাবাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে নিহত আনোয়ার উল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এএইচ

