বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

রাতের ভোট: সাবেক সিইসি নুরুল হুদা গ্রেফতার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২৫, ০৮:৫৩ পিএম

শেয়ার করুন:

huda
সাবেক সিইসি কে এম নুরুল হুদা। ছবি: সংগৃহীত

‘রাতের ভোট’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির জন্য দায়ী করে বিএনপির করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

এর আগে সন্ধ্যায় বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে উত্তরার একটি বাসা থেকে ধরে হেনস্তার পর পুলিশে সোপর্দ করে।


বিজ্ঞাপন


রোববার (২২ জুন) রাতে ডিএমপির ডিবির যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা হয়েছে। আপাতত সাবেক সিইসিকে সেই মামলাতেই গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। তাকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হচ্ছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিগত তিনটি বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আবেদন জমা দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সালাহ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

আরও পড়ুন

সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে ধরে পুলিশে দিলো জনতা

সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীসহ বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় হানা দেয়, যেখানে অবস্থান করছিলেন সাবেক সিইসি নুরুল হুদা। তারা সেখানে সাবেক সিইসিকে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা করেন এবং পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।


বিজ্ঞাপন


Huda
জনতা তাকে ধরে হেনস্তা করে। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করে। ক্ষমতায় থেকে তিনটি ভুয়া নির্বাচন করে বলে অভিযোগ রয়েছে দলটির বিরুদ্ধে। বিতর্কিত তিনটি নির্বাচন যে তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে তাদের একজন কে এম নুরুল হুদা।

আরও পড়ুন

তিন ‘বিতর্কিত’ সিইসির বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ ইসিতে, থানায় মামলা

২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সিইসির দায়িত্ব পালন করা কে এম নুরুল হুদার অধীনে অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের নির্বাচন। সেই নির্বাচনটি ‘রাতের ভোট’ হিসেবে পরিচিতি পায়। সেই নির্বাচনে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো অংশ নিলেও কেউই পাত্তা পায়নি সরকারি দল আওয়ামী লীগের কাছে। এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেও পক্ষপাতিত্বের জন্য দায়ী করা হয়। ফলে বাকি দুটি নির্বাচনের চেয়ে ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ বেশি বিরোধীদের মধ্যে।

এমআইকে/জেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর