রোববার, ২৩ জুন, ২০২৪, ঢাকা

‘পানি নেমে যেতে সময় লাগছে, সেই সময় তো দিতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৬ পিএম

শেয়ার করুন:

‘পানি নেমে যেতে সময় লাগছে, সেই সময় তো দিতে হবে’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নগর ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, পানির প্রবাহ নষ্ট হয়ে, যেতে না পেরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। সেই পানি নেমে যেতে সময় লাগছে, সেই সময় তো দিতে হবে। খালগুলো আমরা ভরাট করে ফেলছি, দখল করছি। এছাড়া যেখানে-সেখানে পলিথিন, বোতল, আবর্জনা ফেলছি। যেগুলো গিয়ে ড্রেনে পড়ছে, সেগুলো পানি নামা বাধাগ্রস্ত করছে।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি মেয়র এসব কথা বলেন। 


বিজ্ঞাপন


এদিন ‘আগামীর অনুপ্রেরণা’ শিরোনামে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আর্ট ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিএনসিসি।

বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরও একদিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ডুবে ছিল স্বীকার করে মেয়র আতিক বলেন, সেদিন টানা ৬ ঘণ্টায় ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তাই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ২০ ফুটের কম রাস্তা হলে সেখানে ড্রেন করার জায়গা থাকে না। এখনো অনেক রাস্তা আছে যেগুলো ২০ ফুটের কম। সেগুলোতেই মূলত জলাবদ্ধতার সমস্যা বেশি দেখা যায়। বিভিন্ন জায়গায় বোতল, পলিথিন, নানা আবর্জনা আমরা ইচ্ছে মতো যেখানে-সেখানে ফেলছি। সেগুলো গিয়ে ড্রেনের মধ্যে ঢুকছে, সেগুলোই পানি নামতে সমস্যা করছে। তাই জলাবদ্ধতা কমে যেতে বা পানি সরে যেতে কিছুটা সময় লাগছে।

 


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন

টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রংপুরে জনজীবন

মেয়র আরও বলেন, শেওড়াপাড়া, মধুবাগ, খেজুরবাগান, সংসদ ভবনের পাশের রাস্তা, নেভির সামনের রাস্তা ডুবে যেত। এখন কিন্তু সেই পরিস্থিতি নেই। জলাবদ্ধতা হয়, আবার পানি নেমে যায়। ঢাকা শহরের অলিগলি ২০ ফুটের কম হলে আমরা রাস্তার জন্য বরাদ্দ দেব না। এটা আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

তিনি বলেন, আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ১০টি র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম গঠন করে দিয়েছি। তারা বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। আমরা কিন্তু বসে নেই। আমরা, কাউন্সিলররাসহ সংশ্লিষ্টরা মিলে সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, আমাদের এখন চ্যালেঞ্জ হলো রাস্তাগুলো ২০ ফুট করতে হবে। আর অলিগলিতে যেসব ড্রেন আছে সেগুলো আমরা বড় করার কাজ শুরু করেছি, যাতে দ্রুত পানি নেমে যেতে পারে। দক্ষিণখান এবং আজমপুরে আমরা এ কাজগুলো ইতোমধ্যে শুরু করেছি। মিরপুর-১০ নম্বর থেকে শেওড়াপাড়ার দিকে যে রাস্তা, এটাতে আগে জলাবদ্ধতা হলে দুই-তিন দিন যাবৎ জলাবদ্ধতা থাকত। আমরা কিছু কাজ করার ফলে এখন কিন্তু সেখানে ওইরকম জলাবদ্ধতা থাকে না। সব ড্রেনের ডায়ামিটার কিন্তু এক না, অলিগলিতে একটু ছোট লাইন, সেখান থেকে পানি আসবে বড় লাইনে, এরপর সেখান থেকে পানি খালে নামবে। সেহেতু পানি সরে যেতে কিছুটা সময় দিতে হবে।

ডিএইচডি/এমএইচএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর