জন্মের পর শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের উদ্যোগে বেশ কিছু টিকা দেওয়া হয়। এর বাইরেও বাড়তি সুরক্ষার জন্য কিছু টিকা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে শিশুদের কোন টিকাগুলো প্রদান করা হয় চলুন জেনে নিই-
বেসরকারি টিকা কী?
বেসরকারি টিকা হলো সেসব টিকা, যা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। মূলত শিশুদের অতিরিক্ত সুরক্ষা হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। এমনটাই মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে এসব টিকা কিনে প্রয়োগ করতে হয়। কিছু বেসরকারি টিকা হলো-

রোটাভাইরাস:
ডায়রিয়া প্রতিরোধে এই টিকা দেওয়া যেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
ভারিসেলা:
চিকেনপক্স বা জলবসন্ত থেকে সুরক্ষা পেতে এই টিকা ব্যবহার হয়।

হেপাটাইটিস এ:
এই টিকা শিশুকে জন্ডিস বা লিভার সংক্রমণ থেকে বাঁচায়।
টিসিভি (টাইফয়েড কনজুগেট):
শিশুকে টাইফয়েড জ্বরের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এই টিকা। টাইফয়েড মূলত বদহজম, খাবার বা নোংরা পানির মাধ্যমে ছড়ায়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা:
এই টিকা শিশুকে সিজনাল ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস অর্থাৎ জ্বর, সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, মাথা ব্যথা থেকে রক্ষা করে। আবার যাদের শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশ জরুরি টিকা, এতে শিশুর হাঁপানি ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
এমএমআর (মিজেলস মাম্পস রুবেলা):
হাম, মাম্পস ও রুবেলা থেকে সুরক্ষা দেয় এই টিকা।

এইচপিভি (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস):
এই টিকা মেয়ে শিশু, কিশোরী ও নারীদের গর্ভাশয়ের ক্যানসারসহ অন্যান্য ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
মেনিনোকোক্কাল:
মেনিনজাইটিস বা মস্তিষ্কের পর্দার প্রদাহ প্রতিরোধে এই টিকা দেওয়া হয়।

ইটিইসি:
কলেরা ও ডায়রিয়া প্রতিরোধে দেওয়া হয় এই টিকা।
টিকা ভেদে বেসরকারি টিকার দাম ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত প্রতি ডোজ আনুমানিক এক হাজার টাকা থেকে আট হাজার টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। হাসপাতাল ভেদে দাম পরিবর্তিত হয়।
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা
এনএম

