গরমের সঙ্গে টক দইয়ের সম্পর্ক অন্যরকম। ভ্যাঁপসা গরমে মেন্যুতে যাই থাকুক শেষ পাতে টক দই থাকা চাই। এই দইয়ে রয়েছে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি। শরীরের যত্নে যা উপকারি ভূমিকা রাখে।
পুষ্টিবিদদের মতে, টক দই খেলে শরীরে যাবতীয় টক্সিন বাইরে বেরিয়ে যায়। সেসঙ্গে ঝরে মেদও। এজন্য অনেকেই ঘরে দই পেতে খান। কিন্তু সমস্যা হলো, ঘরে পাতা দই অনেকসময় ঘন বা থকথকে হয় না। কিছু ট্রিকস কাজে লাগালে কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করা যায়। কীভাবে? চলুন জেনে নিই-
বিজ্ঞাপন

প্রথম সিক্রেট
দই বসানোর ক্ষেত্রে দুধ ফোটানোর সময় দুধের সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন ভালো করুন। তাহলেই ক্রিমের মতো টেক্সচার পাবেন। তবে খেয়াল রাখবেন ২ চামচ গুঁড়ো দুধ আর কাঁচা দুধ দিয়ে যে মিশ্রণ তৈরি করবেন তাতে যেন কোনো দলা না থাকে। নয়তো দই কিছুতেই থকথকে হবে না।
দ্বিতীয় সিক্রেট
বিজ্ঞাপন
দুধ সবসময় অল্প আঁচে ফুটিয়ে নিন। আর ফোটানোর সময় হাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। কারণ দুধে স্তর পড়ে গেলে দই পাতলা হয়ে যাবে। এতে দই যেমন জমবে না, খেতেও ভালো লাগবে না।

তৃতীয় সিক্রেট
বাড়িতে দই পাততে হলে দুধ সবসময় ঈষদুষ্ণ রাখবেন। বেশি গরম হলে যেমন চলবে না, তেমনই ঠান্ডা হলেও হবে না। ফোটানো দুধের তাপমাত্রা কুসুম গরম রাখতে হবে। পাশাপাশি দইয়ের বীজ বা দম্বল সযত্নে রেখে দিতে হবে। কুসুম গরম দুধের সঙ্গে দম্বল মিশিয়ে দই বসান।
দুধ আর বীজ ভালো করে মেশানো হলে দইয়ের পাত্রটি ভালো করে ঢেকে গরম জায়গায় রেখে দিন। সরাসরি ফ্রিজে রেখে দিলে দই জমবে না। দই জমার পর ফ্রিজে রাখুন।
ছোটোখাটো এই টিপসগুলো মাথায় রেখে দই বসালে এর স্বাদ একদম দোকানের মতো খেতে হবে।




