রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ঢাকা

ওয়াটার থেরাপি: জাপানিদের সৌন্দর্যের গোপন রহস্য 

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:০৩ পিএম

শেয়ার করুন:

Japanese Water Therapy
ছবি: সম্পাদিত

নিয়ম মেনে চলতে ভালোবাসেন জাপানিরা। খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাপন সবকিছুই নিয়মমাফিক করেন তারা। সৌন্দর্যের দিক থেকেও জাপানিদের তুলনা নেই। তাদের দাগহীন মসৃণ ত্বক দেখে অবাক হন যে কেউ। মনে মনে ভাবেন, কী করে এত সুন্দর তারা? কীভাবে নিজেদের যৌবন ধরে রাখেন? 

অনেকে ভাবেন এই সৌন্দর্যের পেছনে রয়েছে নামীদামী নানা প্রসাধনী। এই ধারণা কিন্তু ভুল। জাপানিরা সৌন্দর্য বাড়াতে ভরসা রাখেন প্রাকৃতিক উপায়ে। আজ চলুন তাদের সুন্দর ত্বকের অন্যতম এক রহস্য জানা যাক- 


বিজ্ঞাপন


girl2

জাপানিদের সৌন্দর্য পেছনে অন্যতম ভূমিকা রয়েছে ওয়াটার থেরাপির। বিশেষ কায়দায় এবং নিয়ম মেনে পানি পান করেন তারা। জাপানে পানিকে সৌন্দর্যের অন্যতম উপাদান ধরা হয়। কিন্তু কীভাবে পানি পান করেন তারা? 

নিয়ম অনুযায়ী সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করতে হবে। একদম খালি পেটে। তবে ঠান্ডা বা গরম নয়, একদম স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি। এতে পরিপাকতন্ত্রের বিরাট উপকার হবে। 

girl3


বিজ্ঞাপন


এই ওয়াটার থেরাপির মূল নিয়মই হলো, ঠান্ডা পানি একেবারে পান করা যাবে না। পান করতে হলে ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি একদম ঠিক আছে। মাঝেমধ্যে গরম পানি পান করা যেতে পারে। তবে ঠান্ডা পানি কোনোভাবেই পান করা চলবে না। 

জাপানি বিজ্ঞানীদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠেই তিন থেকে চার গ্লাস পানি পান করতে হবে। একেবারে খালি পেটে। এতেই শরীরে মেদ জমার আশঙ্কা অনেকখানি কমে যায়। 

girl4

ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করারও আগে যদি এই পানি পান করা যায়, তবে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ব্রাশের আগে পানি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার হয় পেটের। এমনটাই মনে করেন দেশটির চিকিৎসকরা। 

দাঁড়িয়ে পানি পান করাও পছন্দ করেন না জাপানিরা। ওয়াটার থেরাপি অনুযায়ী, জল পান করার সময়ে বসে পান করা উচিত। এতে কিডনির ক্ষতি হয় কম। 

girl5

এই থেরাপি অনুযায়ী একেবারে অনেকটা পানি পান করা যাবে না। এক-দুই চুমুক জল একবারে পান করুন। এরপর ২-৩ মিনিটের ব্যবধান দিন। আবার পান করুন।  

সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার খাওয়া আর রাতের খাবার খাওয়ার পরপরেই পানি পানের নিয়ম নেই এই থেরাপিতে। খাবার খাওয়া শেষে অন্তত আধ ঘণ্টার ব্যবধান রেখে তবেই পান করতে হবে পানি।

water

জাপানিরা মনে করেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এই থেরাপি। সেসঙ্গে এটি ত্বক ও চুলের গুণমান বজায় রাখে। ফলে বয়সের ছাপও কম পড়ে। সেই কারণেই এই থেরাপিতে এত আস্থা মানুষের।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

এনএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর