এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরে রুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২২, ০৫:৪৮ পিএম
এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরে রুল
ফাইল ছবি

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার বিচার কেন দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে করার নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এ দিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন ও ব্যারিস্টার এম. আব্দুল কাইয়ুম লিটন।

রুলের বিষয়টি নিশ্চিত করে রিটকারী আইনজীবী এম. আব্দুল কাইয়ুম লিটন বলেন, গত ১ আগস্ট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে গণধর্ষণের মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়। বর্তমানে ওই মামলার বিচারকাজ চলছে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে।

আরও পড়ুন: গার্ডার চাপায় প্রাণহানির ঘটনায় রিট

এম. আব্দুল কাইয়ুম জানান, ধর্ষণের ওই ঘটনায় চলতি বছরের মে মাসে অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু না হওয়ায় দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার চেয়ে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী এই রিট আবেদন করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তরুণীকে গণধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ওই মামলায় আটজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

ওই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম। পরবর্তীকালে গত বছরের ১৭ জানুয়ারি মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী। এছাড়া একই ঘটনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়রা আদালতে পৃথক চার্জশিট দেওয়া হয়।

এআইএম/আইএইচ