সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

সবশেষ মামলায় জামিন, বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তিতে বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

সবশেষ মামলায় জামিন, বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তিতে বাধা নেই
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।  ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।  আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সবশেষ এই মামলায় জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই। 

সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আদেশ দেন। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও মোতাহার হোসেন সাজু।

পরে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ‘সাবেক প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে থাকা সবগুলো মামলায় এখন জামিন হয়েছে। এছাড়া তাকে সুর্নির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার ও হয়রানি না করার হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।’

এরআগে গত ২ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রেখেছিলেন চেম্বার আদালত। তবে ওই সময় বনানী থানার মামলায় তাকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছিল।  সোমবার সেই মামলাটিতেও জামিন পেলেন তিনি।

আদালত সূত্র জানায়, বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ি ও বনানি থানার দুটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলে মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় নয়ে। এদিকে গত  ৯ আগস্ট প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার আদেশ দেন। 

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে তাকে যুবদল কর্মী আব্দুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরবর্তী সময়ে যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানাসহ বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১২ মে তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যার দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। এরআগে গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে রায় জালিয়াতি ও দুদকের মামলাগুলোতে তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

২০১১ সালে অবসরে যাওয়া বিচারপতি খায়রুল হক পরে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে এসব মামলা দায়ের করা হয়।

আরএনবি/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর