মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেফতার সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরানো নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ছোট ভাই আবদুল কাদের সিদ্দিকী।
হাতকড়াকে নববধূর হাতের চুড়ির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘হ্যান্ডকাফকে আমরা খারাপ কিছু মনে করি না। বিবাহের সময় মেয়ের হাতে চুড়ি যেমন দেওয়া হয়, আমরা ওই রকমই মনে করি।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।
২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আসামি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে দুপুরে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ লতিফ সিদ্দিকীকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, নিষ্পাপ একজন মানুষকে অন্যায়ভাবে আসামি করায় প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আদালতে প্রত্যেক অভিযুক্ত কথা বলতে পারেন। এটা তার অধিকার। লতিফ সিদ্দিকীও তেমন কথাই বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমি মনে করি সম্মানী ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়া উচিত।
লতিফ সিদ্দিকীর অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার ৮৭ বছর হয়ে গেছে। এখন যদি কোনো অপরাধের দায়ে (যা তিনি করেননি) তার ফাঁসি হয়, তাহলে আমরা সাদরে গ্রহণ করব। কারণ আল্লাহ তায়ালা তাকে তখন মুক্তি দেবেন।
শাপলা চত্বরে গণহত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে লতিফ সিদ্দিকীকে আসামি করা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, পরিকল্পনাকারী বলা যায় না। কারণ তিনি ‘কিচেন কেবিনেটেও’ ছিলেন না। তিনি তখন পাটমন্ত্রী ছিলেন। পাট নিয়ে হত্যা চলে না। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার কাছে কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত ছিলেন তিনি।
এমআর




