বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ঢাকা

রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, টিকটকার প্রিন্স মামুন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৪, ০৩:৫২ পিএম

শেয়ার করুন:

রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, টিকটকার প্রিন্স মামুন কারাগারে

লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮) করা ধর্ষণ মামলায় আলোচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের রিমান্ড ও জামিন দুটোই নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ শাহাজাহান। অপরদিকে প্রিন্সের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন লায়লা আক্তার।

আরও পড়ুন

টিকটকার প্রিন্স মামুনকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন

মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, প্রিন্স মামুনের সঙ্গে গত তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আমাকে জানান, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানান, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দেই।

২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকেন। ওইদিন থেকে তিনি আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

আরও পড়ুন

ডেইলি স্টারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক আশফাককে জামিন

মামলায় আরও বলা হয়, সবশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।

লায়লার করা মামলার পর গতকাল সোমবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকা থেকে প্রিন্সকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর সেখান থেকে ঢাকায় আনা হয়।

এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর