শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ঢাকা

বিচারপতির স্বাক্ষর জাল: মেয়র জাহাঙ্গীরের জামিন স্থগিতই থাকছে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

loading/img
ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া জামিন আদেশ তৈরির ঘটনায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভার মেয়র বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমের জামিন স্থগিতই থাকবে মর্মে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ মার্চ) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ৮ সপ্তাহের জন্য হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে এ আদেশ দেন। এছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২০ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।


বিজ্ঞাপন


আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান। আদালত থেকে বেরিয়ে তিনি আদেশের বিষয়টি ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেন।  

আজ আদালতে মেয়র জাহাঙ্গীরের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। 

এর আগে, গত ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের আদালত আজ (২৭ মার্চ) পর্যন্ত জাহাঙ্গীর আলমের জামিন স্থগিত করেন।

অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে দুপচাঁচিয়া পৌরসভার মেয়র বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম হাইকোর্টের বিচারপতির স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া আদেশ তৈরি করেছিলেন। দুদকের তদন্তেও তার জালিয়াতির ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তার জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিলাম। সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৮ সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন

অর্থের বিনিময়ে পাসের প্রস্তাব: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ৫ পরীক্ষার্থী

গত ২১ মার্চ বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভার মেয়র বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে জামিন দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। এর আগে ৭ মার্চ জাহাঙ্গীর আলম দুদকের মামলায় আত্মসমর্পণ করলে ওই আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ একেএম মোজাম্মেল হক চৌধুরী তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠান।

এ মামলার পলাতক অপর আসামিরা হলেন- পৌরসভার সচিব বগুড়া শহরের উত্তর জয়পুরপাড়ার রতন চন্দ্র দাসের ছেলে কার্তিক চন্দ্র দাস ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ধাপ সুখানগাড়ি বম্বপাড়ার সোলাইমান আলীর ছেলে আবদুল মজিদ।

আদালত সূত্র জানায়, দুপচাঁচিয়া পৌর মেয়র বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় সিও অফিস সড়কের আফতাব হোসেনের ছেলে। বেশ কয়েক বছর আগে দুর্নীতির অভিযোগে তিন আসামির বিরুদ্ধে দুদকে মামলা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতিমূলে হাইকোর্টের ফৌজদারি মিস কেসের ভুয়া আদেশ সৃষ্টি করেন। এরপর সেটি বগুড়ার স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করে ওই মামলার বিচার কার্যক্রম ১০ বছর স্থগিত করান। পরে হাইকোর্টের নম্বর রিট পিটিশন মামলার ২০২২ সালের ১৬ মার্চ রায়ের আলোকে ওই আসামিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জেনারেলের আদেশে হাইকোর্টের রিট শাখার সুপারিন্টেনডেন্ট আবদুল মোমেন মেয়র জাহাঙ্গীর আলমসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলা করেন।

এআইএম/এমএইচএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর

News Hub