সৌদির তেল উৎপাদন ৮ মাসে ২০ শতাংশ বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৫:১৭ পিএম
সৌদির তেল উৎপাদন ৮ মাসে ২০ শতাংশ বেড়েছে

সৌদি আরবের গড় তেল উৎপাদন ২০২২ সালের শুরু থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সরকারি নথির বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে সৌদি গেজেট।

খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের তেল উৎপাদন প্রতিদিন প্রায় ১০.৫ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রতিদিন ১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল বেশি।

বাজারের স্থিতিশীলতা এবং পেট্রোলিয়াম শিল্পে অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার জন্য ওপেক প্লাস চুক্তির প্রচেষ্টার কারণে এই বৃদ্ধি হয়েছে। সৌদি আরব আশা করছে যে, ২০২২ সালে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে পৌঁছবে।

২০২২ সালের আগস্টে তেলের বাজারের উপর ওপেকের মাসিক প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা গত বছরের তুলনায় প্রতিদিন ৩.১ মিলিয়ন ব্যারেল বৃদ্ধি পেয়ে ১০০.০৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাবে।

২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা প্রতিদিন প্রায় ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল বৃদ্ধি পেয়ে ১০২.৭২ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, পরিবহন, শিল্প এবং পেট্রোকেমিক্যাল খাতে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধির জন্য এই চাহিদা বাড়বে।

ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের গড় দাম ২০২২ এর শুরু থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত ৫৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ১০৪.০৪ ডলারের রেকর্ড করে, যা গত বছরের একই সময়ে ব্যারেল প্রতি ৬৭.০৬ ডলার ছিল।

ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের গড় দাম ২০০৮ সাল থেকে তাদের সর্বোচ্চ স্তর রেকর্ড করেছে। ২০২২ সালের মার্চের ৮ তারিখে ক্লোজিং মূল্য ব্যারেল প্রতি ১২৭.৯৮ ডলারে দাঁড়ায়।

ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলী, তীব্র অর্থনৈতিক উদ্বেগ এবং বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি রোধে আর্থিক নীতির কঠোরতার মধ্যে এই বছরে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও তেলের বাজার অন্যান্য জ্বালানি বাজারের তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে।

ওপেক প্লাস চুক্তি বিশেষ করে তেলের বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং করোনাভাইরাস মহামারির পর বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রেখেছে।

একে