রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ১৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ এএম

শেয়ার করুন:

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ১৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা অব্যাহত। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এক হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। যুদ্ধবিরতির এক বছর পূর্তির প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি গাজায় অব্যাহত হামলা, মানবিক বিপর্যয় এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া এবং ইসরায়েলি বাহিনীর আংশিক প্রত্যাহার শুরুর পরও গাজায় হামলা অব্যাহত রয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের পরিসংখ্যান দিয়েছে গাজায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে যুক্ত প্রায় ১০০টি সংস্থাও।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জবাবদিহি চাপা দেওয়া যাবে না। সংস্থাগুলোর অভিযোগ, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে গাজায় সহিংসতা বন্ধ হয়নি।

আরও পড়ুন

৫ লাখ ফিলিস্তিনির খাদ্যসহায়তা বন্ধ করছে জাতিসংঘ, দুর্ভিক্ষের শঙ্কা

গাজায় দাফনের জায়গাও ফুরিয়ে আসছে

প্রতিবেদনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নির্দেশনা না মানার অভিযোগও তোলা হয়েছে। পাশাপাশি এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর ব্যর্থতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

অব্যাহত হামলার পাশাপাশি গাজায় বাস্তুচ্যুতি, খাদ্যসংকট ও চিকিৎসাব্যবস্থার বিপর্যয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছেন। প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি পর্যাপ্ত খাবার না পেয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, গাজার হাসপাতালগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা কার্যত ভেঙে পড়েছে। এতে আহত ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে গাজার পুনর্গঠন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি। সংস্থাটির মতে, পুনর্গঠন হতে হবে আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে।

জেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর