সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

নজিরবিহীন সংকটে সৌদি, কাজে আসছে না ৮৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

নজিরবিহীন সংকটে সৌদি, কাজে আসছে না ৮৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক বাহিনী

সামরিক খাতে বছরে ৮৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা—কোনো কিছুরই যেন পুরোপুরি নিশ্চয়তা মিলছে না সৌদি আরবের সুরক্ষায়। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থা, অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আঞ্চলিক সামরিক প্রভাব কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, বিপুল অর্থ ব্যয় করেও কেন হুতিদের ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে সৌদি সামরিক বাহিনী?

সৌদি আরবের বর্তমান সংকটের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো। 

সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হন। 

একদিন পরই রোববার (১১ অক্টোবর) বিমানবন্দরের টার্মিনাল এলাকায় আবারও হামলা চালায় হুতিরা। 

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি অজ্ঞাত বস্তু বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এ আঘাত হানে। এতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হন এবং আরও ১১ জন আহত হন। 

রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আভা, জিজান ও নাজরান বিমানবন্দরও হুতিদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

এদিকে হামলার প্রভাব বিমানবন্দরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। রিয়াদের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হচ্ছে। শহরের আর্থিক এলাকায় কর্মরত মানুষ, কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্কুলের শিক্ষার্থী এবং কূটনীতিকদের ভবন ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার অথবা আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো এবং অন্যান্য বিমানবন্দর ঘিরেও উদ্বেগ বেড়েছে। ফলে দেশটির সামনে এখন দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ—একদিকে সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি সরবরাহ সুরক্ষিত রাখা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সচল রাখা। 

৮৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক শক্তি, তবু কোথায় দুর্বলতা?

২০২৫ সালে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ব্যয় ছিল প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। 

সামরিক ব্যয়ের হিসাবে বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে থাকা দেশটির হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং পশ্চিমা দেশগুলো থেকে কেনা বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম। তবু হুতিদের হামলা দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাগুলো সামনে নিয়ে এসেছে। 

আলজাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের সামরিক শক্তির বড় অংশ গড়ে উঠেছে বিদেশ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র কেনার মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মতো দেশ থেকে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে রিয়াদ। 

দেশটির হাতে রয়েছে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, ইউরোফাইটার টাইফুন এবং প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

কিন্তু উন্নত অস্ত্র থাকা আর প্রতিটি হামলা ঠেকাতে পারা এক বিষয় নয়। সৌদি আরবের আয়তন প্রায় ২২ লাখ বর্গকিলোমিটার। এত বিশাল ভূখণ্ডের প্রতিটি বিমানবন্দর, তেলক্ষেত্র, সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ নগরী ও অবকাঠামোকে একই সঙ্গে সুরক্ষা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন।

আলজাজিরার বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বহুস্তরবিশিষ্ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থাকলেও একটি বিশাল দেশের আকাশকে পুরোপুরি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আওতায় রাখা সম্ভব নয়। প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু একটি বা দুটি হামলা লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছালেও বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

এখানেই হুতিদের কৌশলগত সুবিধা। তাদের প্রতিটি হামলা সফল হওয়া জরুরি নয়। মাঝেমধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিমানবন্দর বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানতে পারলেই নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো, বিমান চলাচল ব্যাহত করা এবং সৌদি আরবকে বাড়তি প্রতিরক্ষা ব্যয়ে বাধ্য করা সম্ভব। 

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন সমীকরণে চাপে রিয়াদ

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর হুতিদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গোষ্ঠীটি এখন বিভিন্ন পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, হুতিদের অস্ত্রভান্ডারে ‘প্যালেস্টাইন-২’ ও ‘তুফান’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। প্যালেস্টাইন-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার বলে দাবি করা হয়েছে। এসব অস্ত্রের মাধ্যমে ইয়েমেন থেকে বহু দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও হামলার হুমকি তৈরি হয়েছে।

সৌদির জন্য বড় সমস্যা হলো, হুতিরা একই অভিযানে ভিন্ন গতি ও বৈশিষ্ট্যের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করতে পারে। এতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে একসঙ্গে একাধিক ধরনের হুমকি মোকাবিলা করতে হয়। সব লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, কোনটিকে আগে প্রতিহত করতে হবে তা নির্ধারণ করা এবং পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা জটিল হয়ে পড়ে।

প্রতিরক্ষার খরচ বাড়ছে, ইন্টারসেপ্টর নিয়েও উদ্বেগ

সৌদি আরবের জন্য আরেকটি বড় উদ্বেগ হলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সরঞ্জামের মজুত। প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো ব্যবস্থায় আক্রমণকারী ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে হয়। অন্যদিকে, কিছু ড্রোন তুলনামূলক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব।

ফলে প্রতিটি আক্রমণের জবাবে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষার খরচ দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। শুধু অর্থ থাকলেই তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া যায় না; উৎপাদন, সরবরাহ ও মজুত পুনর্গঠনের জন্যও সময় প্রয়োজন।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্যাট্রিয়ট ও থাডের মজুতেও চাপ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরবের জন্য তাই একসঙ্গে দুটি কাজ জরুরি—বর্তমান হামলা ঠেকানো এবং ভবিষ্যৎ আক্রমণের জন্য পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা।

অর্থনীতিতে যুদ্ধের বড় ধাক্কা

সামরিক শক্তি আর বিপুল তেলসম্পদের ওপর ভর করে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল সৌদি আরব। কিন্তু ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটির সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা এখন বড় পরীক্ষার মুখে।

রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলা, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ তেল কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের অনুপস্থিতি এবং নিয়ে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদে হামলার পর এক্সনমবিল, টোটালএনার্জিস, শেল, শেভরন ও বিপির প্রধান নির্বাহীদের নাম রিয়াদে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পেট্রোলিয়াম কংগ্রেসের কর্মসূচি থেকে বাদ পড়ে। এর আগে তারা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে তাদের সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন বর্জন করেছেন বলে জানা গেছে। 

যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম (বিপি) জানিয়েছে, তারা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ায় সরাসরি উপস্থিত থাকা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’। এই কর্মসূচির লক্ষ্য তেলনির্ভর অর্থনীতির বাইরে পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন, শিল্প ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা। বিদেশি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে রিয়াদে নিয়মিত বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

কিন্তু রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তার প্রভাব শুধু নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তখন তাদের কর্মীদের নিরাপত্তা, যাতায়াত, বিমা ব্যয় এবং প্রকল্প পরিচালনার ঝুঁকি নতুন করে বিবেচনা করেন। 

আন্তর্জাতিক কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীদের সম্মেলনে অনুপস্থিতি তাই সৌদি আরবের জন্য প্রতীকী ও ব্যবসায়িক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সৌদি আরবের লক্ষ্য বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। কিন্তু ২০২৫ সালে দেশটিতে এ ধরনের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, নির্ধারিত লক্ষ্যের তুলনায় বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে সেই ব্যবধান কমানো আরও কঠিন হতে পারে।

ভ্রমণ সতর্কতা জারি করল ৭ দেশ

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সৌদি আরব ভ্রমণ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর সৌদি আরবে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে। কানাডা অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলেছে। 

দক্ষিণ কোরিয়া নাগরিকদের দেশটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করতে এবং সেখানে অবস্থানরতদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া চলে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছে।

অস্ট্রেলিয়া রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে এবং অন্য বিমানবন্দর ব্যবহার করে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছে। 

নিউজিল্যান্ড রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দর এবং নাজরান, জিজান ও আসির প্রদেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। দেশটির নাগরিকদের সৌদি আরবে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলতেও বলা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য জেদ্দা ও দাম্মামসহ নির্দিষ্ট এলাকা এবং মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়া অন্যান্য বিমানবন্দরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। জাপানও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে নাগরিকদের সতর্ক করেছে।

বিমান চলাচল ব্যাহত, পর্যটন ব্যবসায় চাপ

হুতিদে ধারাবাহিক হামলার জেড়ে সৌদিজুড়ে বিমান চলাল ব্যাহত হয়েছে। রিয়াদের কিং খালিদ, দাম্মামের কিং ফাহাদ এবং জেদ্দার কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলার পর গত রোববার ও সোমবার মিলিয়ে রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামের তিন প্রধান বিমানবন্দরে মোট ১ হাজার ৪৮৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছিল। 

সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স, এনডিটিভি

এমএইচআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর