সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিসাইল হামলায় ১২ জন নিহত ও তিনশরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ৩টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ হামলার একদিন পর সৌদি নেতৃত্বাধীন মক্কালসামরিক জোট জানিয়েছেন, হুথিরা বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে যুদ্ধপরাধ করেছে। আর আন্তর্জাতিক আইন মেনে এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে। খবর সৌদি গ্যাজেটের।
মক্কা সমারিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালিকি বলেছেন, শনিবার পেসেঞ্জার টার্মিনালে মিসাইল ছোড়া হয়। এতে সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক আইনে এটি সুষ্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ।
হুথিদের এ হামলাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করে মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালিকি বলেছেন এটি মানবিক এবং নৈতিক উভয় দিকেই নৈতিকতা পরিপন্থি ছিল। ফলে এটির জবাব হবে কঠোর।
আরও পড়ুন: সৌদির বিমানবন্দর ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ, বাতিল ৬০০ ফ্লাইট
হুথিদের হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন এবং সুদানের একজন করে নাগরিক আছেন। আর বাকি পাঁচজন সৌদির নাগরিক।
যেসব মানুষ আহত হয়েছেন তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বেশ গুরুতর। তাদের সবাইকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এই হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা সেটি এখন নিরূপণ করা হচ্ছে।
ভয়াবহ ওই হামলার পরপর সৌদি আরব রিয়াদ বিমানবন্দর ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ) জানিয়েছে, রোববার ও সোমবার মিলিয়ে ৬ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
-এমএমএস




