রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

রিয়াদসহ সৌদির দুই শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

শেয়ার করুন:

রিয়াদসহ সৌদির দুই শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথির

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় তেলসমৃদ্ধ খুরাইস এলাকায় রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি আরামকোর দুটি তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।

রোববার (৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। 

বিবৃতিতে সারি দাবি করেছেন, রিয়াদ ও খুরাইস—দুই এলাকাতেই পৃথক হামলা চালানো হয়।

তিনি বলেন, ‘উভয় অভিযানই তাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে লক্ষ্যবস্তু করা আরামকোর স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।’

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন বিমান হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

এদিকে হুথিদের এই দাবির বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

হুথি মুখপাত্র আরও বলেন, ‘গত ১২ ঘণ্টায় ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং আল-জাওফ, তাইজ, আমরান, হাজ্জাহ ও সা’দা প্রদেশে প্রায় ৫০টি বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী।’ 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে দেশটির সামরিক ও তেল স্থাপনাগুলোতে আরও হামলা চালানো হতে পারে। 

এদিকে হুথিপন্থী সাংবাদিক হুসেইন আল-বুখাইতির বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের রাজধানী এডেন থেকে গুরুত্বপূর্ণ শহর তাইজের দিকে যাওয়া একটি সড়ক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। এই সড়কটি সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথ, তবে এটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। 

এছাড়াও তাইজ প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও বড় ধরনের পরিবর্তনের দাবি করেছেন এই হুথিপন্থী বিশ্লেষক। 

আল-বুখাইতি বলেন, গত দুই মাসে হুথি বাহিনী প্রদেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ শহর হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, তাইজ ইয়েমেনের অন্যতম কৌশলগত শহর। ভৌগোলিক অবস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই শহরটি ইয়েমেনের সংঘাতের অন্যতম প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তন সামগ্রিক যুদ্ধের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা


এমএইচআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর