ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে থাকা ইসরায়েলি যাত্রীদের দেশে ফেরাতে সৌদি আরবে সামরিক বিমান পাঠানোর কথা বলেছিল ইসরায়েল। তবে রিয়াদ সে অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছে। দুটি নিরাপত্তা সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বুধবার একথা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
ইসরায়েলের অনুরোধ ফেরানোর বিষয়ে সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সের প্রশ্নের কোনও জবাব দেয়নি।
এক কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েলি যাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী ‘সুপার হারকিউলিস’ বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
ওদিকে ফ্লাইদুবাই এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, যাত্রীরা তাদের উড়োজাহাজে করেই নিজ নিজ গন্তব্যে ফের যাত্রা করবেন।
বুধবার ককপিটে পাইলটদের মারামারির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা যাত্রীবাহী একটি উড়োজাহাজ সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, এক পাইলট আরেক পাইলটকে ছুরি মেরে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করা এবং এর যাত্রীদের মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন।
ইসরায়েল সরকার ঘটনাটিকে ইসরায়েলি যাত্রীদেরকে লক্ষ্য করে চালানো জিহাদি সন্ত্রাসী হামলা হিসাবে উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলের কাছাকাছি পৌঁছানোর সময় প্রায় ১০৮ জন ইসরায়েলি যাত্রীবাহী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইট এফজেড ১০৭৩ এর ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়।
এতে কিছু সময়ের জন্য উড়োজাহাজটি ছিনতাই হয়েছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পাইলটদের মধ্যে মারামারি চলাকালে উড়োজাহাজটি ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়েছিল বলে জানায় ফ্লাইটরাডার২৪।
সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় ইসরায়েলের কর্মকর্তারা যুদ্ধবিমান পাঠান। পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় সকাল পোনে ১০ টার দিকে জরুরি অবতরণ করে।
এআরএম




