সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

অতীত ভুলে আমিরাতের সঙ্গে নতুন অধ্যায় শুরুর ঘোষণা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ এএম

শেয়ার করুন:

অতীত ভুলে আমিরাতের সঙ্গে নতুন অধ্যায় শুরুর ঘোষণা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মুখোমুখি বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। 

দীর্ঘদিনের সামরিক ও কূটনৈতিক দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনে উভয় দেশই ‌‘নতুন অধ্যায় শুরু করতে’ রাজি হয়েছে বলে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ইরানের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন। খবর এনডিটিভির।

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের প্রথম দিন বৈঠক শেষে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, সংকট শুরুর পর থেকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নানা ঘটনা ঘটলেও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। 

আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অতীত পেছনে ফেলে নতুন অধ্যায় শুরু করব, ভবিষ্যতের দিকে তাকাব এবং একসঙ্গে তা গড়ে তুলব।

এদিকে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে সোমবার ওমানে উপসাগরীয় দেশগুলোর (জিসিসি) সঙ্গে ইরানের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

রোববার এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের সঙ্গে বৈঠক করল কি-না, তাতে তার ‘কিছুই যায় আসে না’।

আয়ারল্যান্ডে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এতে কিছু যায় আসে না, এটা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়।

বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে, যেটি অবরুদ্ধ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত চলছে। এর জের ধরে গত মাসে ইরানের সঙ্গে অর্থ ও বাণিজ্য লেনদেন স্থগিত করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পাল্টা জবাবে আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালানোর পর দিল্লিতে এটিই ছিল তেহরান ও আবুধাবির শীর্ষ পর্যায়ের প্রথম প্রত্যক্ষ বৈঠক।

বৈঠককালে পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা আঞ্চলিক প্রতিবেশী কোনো দেশের বিরুদ্ধে ইরানের কোনো ক্ষোভ নেই। 

মূল সমস্যা হলো এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, যেগুলো ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।

ইরানের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য সব দেশ আমাদের ভাইয়ের মতো। আমরা সুদীর্ঘকাল ধরে পাশাপাশি বসবাস করে আসছি, বাণিজ্য করেছি এবং একে অপরকে সমর্থন জানিয়েছি। 

তবে মিত্র দেশগুলোর উচিত হবে না নিজেদের ভূখণ্ড বা ঘাঁটি শত্রুদের ব্যবহার করতে দেওয়া, যেখান থেকে প্রতিবেশী দেশের ওপর হামলা চালানো হয়।

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর