পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলের সলিটারি (নিঃসঙ্গ) সেলে আটক রাখা যাবে না।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এই নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। পাশাপাশি, জেল কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ— ইমরান ও বুশরাকে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতে হবে, লেখাপড়ার সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে এবং চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়াতে হবে।
২০২৩ সালের অগস্ট মাস থেকে রওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে বন্দি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশ্বকাপজয়ী পাক ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ইমরান।
তোষাখানা মামলায় ২০২৫ সালে সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী বুশরা দোষী সাব্যস্ত হন। এর পরে তাকেও জেলে পাঠানো হয়।
ইমরানের পরিবারের অভিযোগ, বার বার তারা বন্দি দু’জনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন।
এমনকি, আদালতের নির্দেশকেও উপেক্ষা করেছেন আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষ! এমনকি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রীকে।
ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি খাদিম হুসেন সুমরো মঙ্গলবার ইমরান ও বুশরার পক্ষ থেকে দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই তাদের দু’জনকে সলিটারি সেলে একাকী বন্দি হিসেবে রাখা যাবে না।
এ প্রসঙ্গে, প্রয়াত পিপিপি নেত্রী নুসরত ভুট্টো (নিহত সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর মা) এবং বেগম শামিম আফ্রিদির মামলায় বন্দিদের অধিকার রক্ষা, জেলের ভিতরে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বেআইনি ভাবে একাকী কারাবাসের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কথাও উল্লেখ করেন বিচারপতি সুমরো।
-এমএমএস




