২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) রেকর্ড ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন। এই বিপুল সংখ্যক ওমরাহ যাত্রীর আগমণের পেছনে সরকারের উন্নত সেবা, আধুনিক অবকাঠামো ও ডিজিটাল সুবিধা এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কতৃপক্ষ।
সম্প্রতি সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকস (GASTAT) এই পরিসংখান প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞাপন
এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে মোট ১ কোটি ১২ লাখ ৯১ হাজার ৩২৬ জন তীর্থযাত্রী ওমরাহ পালন করেছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত আন্তর্জাতিক ওমরাহ পালনকারী ছিলেন ৫৭ লাখ এবং সৌদি আরবের স্থানীয় ওমরাহ পালনকারী ছিলেন প্রায় ৫৬ লাখ।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট ওমরাহ পালনকারীদের মধ্যে ৫৬.৮ শতাংশই ছিলেন পুরুষ, যা প্রায় ৬৪ লাখ; অপরদিকে নারী ছিলেন ৪৩.২ শতাংশ বা প্রায় ৪৯ লক্ষ তীর্থযাত্রী। তবে বিদেশ থেকে আগত ওমরাহ পালনকারীদের ৫৩ শতাংশই নারী।
মাসিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নভেম্বরে অভ্যন্তরীণ ওমরাহ যাত্রীদের সর্বোচ্চ চাপ ছিল, যা ৩৬.৮ শতাংশ। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ওমরাহ যাত্রীদের জন্য ডিসেম্বর ছিল সবচেয়ে ব্যস্ততম মাস, যেখানে ৩৭.৬ শতাংশ বিদেশী ওমরাহ পালনকারী অংশ নিয়েছিলেন। শুধুমাত্র ডিসেম্বরেই বিদেশ থেকে ২১ লাখ ৪২ হাজার ২৫২ জন ওমরাহ পালন করেন।
সামগ্রিকভাবে ২০২৫ সালে রেকর্ড ১ কোটি ৯৫ লাখের বেশি মানুষ উমরাহ ও হজ পালন করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ১৪৪৮ হিজরি সালের ওমরাহ মৌসুমের পূর্ণাঙ্গ ক্যালেন্ডার বা সময়সূচি ঘোষণা করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। বহির্বিশ্বের ওমরাযাত্রীদের জন্য সেবার মান উন্নয়ন এবং প্রক্রিয়া আরও সহজ করার লক্ষ্যে এই আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ মে (১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি) থেকে ওমরাহ ভিসার আবেদন ও ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর ওমরাহ ভিসা হাতে পাওয়া যাত্রীরা ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে পবিত্র মক্কায় প্রবেশ এবং ওমরাহ পালনের অনুমতি পাবেন।
সূত্র: হাজগেজেট
এমএইচআর




