যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৩ জুন) সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময়) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৩ ডলার বা ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ৩০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে আমেরিকান বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সেস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৩৪ ডলার বা ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৯৬ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উভয় বেঞ্চমার্কের এই মূল্য গত ২৭ মে-এর পর থেকে সর্বোচ্চ।
মূলত, মঙ্গলবার রাতে কুয়েত এবং বাহরাইনের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। পাল্টা জবাব দিতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কেশম দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়ার তীব্র উদ্বেগের মাঝেই বিশ্ববাজারে ফের তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সরবরাহ ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উদ্বেগ তেলের বাজারকে অস্থির করে তুলেছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়াও সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক রিপোর্টে দেখা গেছে, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রত্যাশার চেয়েও প্রায় ৬৮ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে, যা তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছে।
রয়টার্স বলছে, বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা ও সতর্কতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ায় তারা বাজার নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ করছেন।
সূত্র: রয়টার্স
এমএইচআর




