সৌদি আরব হজযাত্রীদের বয়সসীমা নিয়ে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করেছে। শুরুতে ১৫ বছরের কম বয়সীদের হজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আগের নীতিই পুনর্বহাল করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে) প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, ২০২৬ সালের ৩ মে থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীরা হজ ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট সকল অপ্রাপ্তবয়স্ক হজযাত্রীর ভিসা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে বলেও জানানো হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ২৭ মে ২০২৬ সালের মধ্যে যাদের বয়স ১৫ বছর পূর্ণ হবে না, তারা হজের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন—এমন তথ্যও জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে বলা হয়েছিল, এ সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে এবং বিমানবন্দরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে যাতে কম বয়সীদের হজ ফ্লাইটে উঠতে না দেওয়া হয়।
তবে কিছু সময় পরই সৌদি আরব এই বয়সসীমাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিরা হজে যাওয়ার যোগ্য থাকবেন।
১৫ বছর বয়সসীমার কারণে যেসব হজ ভিসা বাতিল হয়েছিল, সেগুলো পুনরায় প্রক্রিয়াকরণ করা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব কর্তপক্ষ।
বিজ্ঞাপন
হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে হজযাত্রীদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আগের নীতিই কার্যকর রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে হজযাত্রীদের মধ্যে। সূত্র: রোজনামায়ে ইসলাম
জেবি




