যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরান একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে খবর প্রকাশের পর বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (১ মে) দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময়) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১১০ দশমিক ১৪ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে আমেরিকান বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সেস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৮৩ ডলার বা ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০৩ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এরআগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, ইরান বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি নতুন প্রস্তাব পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
এদিকে এ খবরে দাম কমলেও চলতি সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১২৬ দশমিক ৪১ ডলারে পৌঁছেছিল, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। কিন্তু দিনের শেষে তা কমে যায়।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে ফের আলোচনার শুরুর সম্ভাবনায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো বেশ জটিল। তবে সংঘাত আবার শুরু হলে তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
স্যাক্সো ব্যাংকের ওলে হ্যানসেন বলেছেন, ‘এই আকস্মিক পতন এমন একটি বাজারকেই তুলে ধরেছে- যা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে, কিন্তু যেকোনো আকস্মিক শিথিলতার খবরে লিফটে করে নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা বিনিয়োগকারিদের জন্য পরিস্থিতিকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে।’
আরও পড়ুন
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পরেও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি এখনও অনেকাংশে বন্ধ রেখেছে তেহরান। তার ওপরে মার্কিন নৌ অবরোধে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি আটকে গেছে। এতে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে ও অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএইচআর




