মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

চ্যাটজিপিটির কাছে যা জানতে চেয়েছিলেন অভিযুক্ত হিশাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

শেয়ার করুন:

Hisam

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বড় সূত্র পাওয়া গেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে। নিহত দুই শিক্ষার্থী লিমন এবং বৃষ্টি নিখোঁজ হওয়ার আগে ও পরে অভিযুক্ত হিশামের করা কিছু প্রশ্ন থেকে মিলেছে তার অপরাধী হওয়ার ইঙ্গিত। তদন্তকারীরা বলছেন, ডিজিটাল সার্চ হিস্ট্রিই হয়ে উঠেছে এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত হিশাম সালেহ আবুগারবেহ’র চ্যাটজিপিটি সার্চ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মার্কিন সংবাদমাধ্যম টাম্পা বে টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে এমন তথ্য।


বিজ্ঞাপন


আইনজীবীদের জমা দেওয়া নথি থেকে জানা গেছে, নিখোঁজের ৩ দিন আগে হিশাম এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাটবটের কাছে জানতে চান, ‘কাউকে কালো আবর্জনার ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দিলে কী ঘটতে পারে’। উত্তরে এটি ‘বিপজ্জনক’ বলে জানালে তিনি আবার প্রশ্ন করেন, ‘তারা কীভাবে জানতে পারবে’।

এ ঘটনা তদন্তকারীদের কাছে ইচ্ছাকৃত গোপনীয়তার ইঙ্গিত হিসেবে ধরা পড়েছে।

নিখোঁজের একদিন আগে তিনি জানতে চান, একটি গাড়ির ভিআইএন নম্বর পরিবর্তন করা সম্ভব কি না এবং লাইসেন্স ছাড়া বাড়িতে অস্ত্র রাখা যায় কি না। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এসব প্রশ্ন ছিল সম্ভাব্য অপরাধের লজিস্টিক ও আইনি ঝুঁকি বোঝার চেষ্টা।

ঘটনার পরও থেমে থাকেননি তিনি। লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজের তিনদিন পর আবার চ্যাটজিপিটিতে প্রশ্ন করেন, স্নাইপারের গুলিতে মাথায় আঘাত পাওয়ার পর কেউ বেঁচে থাকতে পারে কি না এবং প্রতিবেশীরা বন্দুকের শব্দ শুনতে পাবে কি না।


বিজ্ঞাপন


এই প্রশ্নগুলোকে তদন্তকারীরা ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়নের চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
 
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ধারাবাহিক প্রশ্নগুলো শুধু কৌতূহল নয়, বরং একটি সম্ভাব্য অপরাধের আগে ও পরে পরিকল্পনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং প্রমাণ গোপনের মানসিকতা প্রকাশ করে।
 
ফলে চ্যাটজিপিটি সার্চ হিস্ট্রিই এখন এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে উঠে এসেছে।

এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর