এখনও খোঁজ মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহের। সোমবার (২৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুতে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনও নাহিদা বৃষ্টির মরদেহের খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির সন্ধানে এখনও তল্লাশি চলছে।
বিজ্ঞাপন
ফ্লোরিডা পুলিশ জানিয়েছে, জামিল লিমন এবং নাহিদা বৃষ্টিকে সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল। লিমন ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন এবং নাহিদা বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডক্টরাল শিক্ষার্থী।
এদিকে রোববার সকাল থেকে ফ্লোরিডার হিলসবরো ও পিনেলাস কাউন্টির মেরিন ইউনিট যৌথভাবে নৌকা, হেলিকপ্টার ও পায়ে হেঁটে সেতুর আশপাশের ম্যানগ্রোভ এলাকা ও জলপথে তল্লাশি চালায়। ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।
এফবিআইয়ের সাবেক বিশেষ এজেন্ট ও ইউএসএফ সেন্টার ফর জাস্টিস রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির সহ-পরিচালক ড. ব্রায়ানা ফক্স বলেছেন, প্রমাণগুলো ট্যাম্পা বে অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেখে মনে হচ্ছে অভিযুক্ত পরিকল্পিতভাবে নয়, হঠাৎ রাগের মাথায় কাজটি করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘যেসব ঘটনায় পরিচিতজনরা একে অপরকে আক্রমণ করে এবং বয়স কাছাকাছি থাকে, সেখানে সাধারণত অর্থ, ঈর্ষা বা কোনো ঝগড়াই হত্যার কারণ হয়। এটি হয়তো ক্ষণিকের রাগের বিস্ফোরণ থেকে হয়েছে এবং কারণটি হয়তো খুবই ছোট কিছু।’
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এ ঘটনার ১০ দিন পর ২৪ এপ্রিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর একদিন পর ২৫ এপ্রিল বৃষ্টির ভাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তার বোনের মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করেন।
এসএইচ/এফএ




