ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত ৩১টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন অথবা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বুধবার (২২ এপ্রিল) জানিয়েছে, এসব নৌযানের বেশিরভাগই জ্বালানি তেলের ট্যাংকার। এছাড়া ৩টি ইরানি জ্বালানি তেলবোঝাই ট্যাংকার জব্দেরও দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিজ্ঞাপন
মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার আশপাশের গভীর সমুদ্র থেকে ইরানের পতাকাবাহী তিনটি ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)। জাহাজ তিনটির নাম— ডিপ সি, সেভিন এবং দোরেনা।
আল–জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সেন্টকম তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে দাবি করেছে, বেশিরভাগ জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে চলেছে।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর এই নৌ অবরোধ বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ হাজারের বেশি সেনা, ১৭টি যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক বিমান অংশ নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পরপরই বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে এই নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন।
এদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘সুস্পষ্ট যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ কারণে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা সম্ভব নয়।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও ইসরায়েলের ‘বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ উস্কে দেওয়া’-এ দুটি বিষয় পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। তার দাবি, এসব পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি করার’ শামিল।
-এমএমএস




