ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত মার্কিন নৌবাহিনীতে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। এবার মার্কিন নৌবাহিনীর সেক্রেটারি জন ফেলানকে বরখাস্ত করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এমনটা জানিয়েছে সার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক মাধ্যমে বুধবার (২২ এপ্রিল) দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করে পেন্টাগন মুখপাত্র শন পারনেল।
তবে তাকে সরিয়ে দেওয়ার স্পষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। জন ফেলানের স্থলাভিষিক্ত হবেন মার্কিন নৌবাহিনীর আন্ডার সেক্রেটারি হাং কাও।
জন ফেলানের এই বরখাস্ত সামরিক মহলে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে জন ফেলান সর্বশেষ।
আরও পড়ুন:
২০২৫ সালের মার্চে দায়িত্ব নেওয়া ফেলান ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত। সামরিক বাহিনীতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও ট্রাম্পের প্রচারণার বড় দাতা ছিলেন তিনি।
একাধিক সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, ফেলান ও হেগসেথের মধ্যে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা চলছিল।
হেগসেথ মনে করতেন, ফেলান জাহাজ নির্মাণ সংস্কার বাস্তবায়নে খুবই ধীরগতিতে কাজ করছেন। এ ছাড়া ট্রাম্পের সঙ্গে ফেলানের সরাসরি যোগাযোগও হেগসেথকে বিরক্ত করেছিল।
বিষয়টিকে তাকে ডিঙিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে যাওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখতেন। এমনকি উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গও জাহাজ নির্মাণ এবং নৌবাহিনীর ক্রয় বিভাগের প্রধান প্রধান দায়িত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। এগুলো সাধারণত ফেলানের এখতিয়ারভুক্ত কাজ ছিল।
হোয়াইট হাউসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মতে, বুধবার হোয়াইট হাউসে জাহাজ নির্মাণ নিয়ে ট্রাম্প ও হেগসেথের মধ্যে বৈঠক চলাকালে এসব সমস্যা চরমে পৌঁছায়।
-এমএমএস




