ইসরায়েলের দক্ষিণে নেগেভ মরুভূমিতে একটি শিল্প এলাকায় ইরানি হামলায় আগুন লেগেছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম।
ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কান, চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অফ ইসরায়েল এমন ফুটেজ শেয়ার করেছে।
বিজ্ঞাপন
এই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বীরশেবা শহরের দক্ষিণে অবস্থিত নে'ওত হোভাব শিল্প কমপ্লেক্স থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়ছে।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের গণমাধ্যমগুলো।
সংবাদ সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের স্প্লিন্টারের প্রভাবে এই ঘটনা হতে পারে।
এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ঘোষণা করেছিল, তারা ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য কাজ করছে।
বিজ্ঞাপন
এই হামলায় বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। তাই এর কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দাদের বাড়ির ভেতরে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে একটি বিধ্বস্ত মার্কিন এডব্লিউএসিএস বিমানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যার সত্যতা বিবিসি নিশ্চিত করেছে।
দুই দিন আগেই এই ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। পরবর্তী সময়ে তারা এই বিশেষ বিমান এবং বেশ কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস করার ঘোষণা দেয়।
ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোতে বিধ্বস্ত বিমানটির নম্বর পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৬টি সচল ‘বোয়িং এ-৩ সেন্ট্রি’বা এডব্লিউএসিএস বিমান রয়েছে, যা এই হামলার ফলে কমে ১৫টি হবে।
বিমানটির ফ্লাইটের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, হামলার আগে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ছয়টি এডব্লিউএসিএস বিমান মোতায়েন ছিল। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা
জেবি

