বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ঢাকা

২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ উত্তোলন করল সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

শেয়ার করুন:

২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ উত্তোলন করল সৌদি আরব

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনন কোম্পানি সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মা’আদেন) নতুন করে চারটি খনি এলাকা থেকে মোট ৭৮ লাখ আউন্স (১ কেজিতে ৩৫ আউন্স ধরে মোট ২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণ উত্তোলন করেছে। এর মাধ্যমে দেশীয় খনিজ মজুত সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের স্বর্ণ উৎপাদক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল আরও জোরালো হলো বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পরিকল্পিত ড্রিলিং বা খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া গেলেও বার্ষিক হিসাব সমন্বয়ের পর নিট ৭৮ লাখ আউন্স মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।

মা’আদেন জানায়, তাদের প্রধান প্রকল্প মানসুরাহ মাসসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং ওয়াদি আল জাও খনি থেকে এই নতুন এলাকা থেকে স্বর্ণগুলো উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে মানসুরাহ মাসসারাহ থেকে গত বছরের ‍তুলনায় ৩০ লাখ আউন্স মজুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম প্রকল্পে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও প্রকল্পে প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণের মজুত পাওয়া গেছে।

মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, এই সাফল্য সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর এবং বৈশ্বিক খনি শিল্পে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান মজবুত করার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলেরই প্রতিফলন।
 
তিনি আরও বলেন, ‘এই ফলাফল প্রমাণ করে যে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। এ কারণেই আমরা সৌদি আরবের স্বর্ণ ভাণ্ডারে বড় ধরনের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি’।
 
উইল্ট বলেন, চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণ উত্তোলন মা’আদেনের সোনা আহরণের প্রকল্পের সম্ভাবনাকেই প্রতিফলিত করে। আমাদের সম্পদভান্ডার ক্রমেই বড় হচ্ছে। এই প্রবৃদ্ধি ভবিষ্যতে নগদ অর্থ প্রবাহের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

২০২৬ সালের অনুসন্ধান কর্মসূচিতে সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড রিজিয়নে গুরুত্ব দিয়েছে মা’আদেন। সেখানে উন্নত পর্যায়ের খনন কার্যক্রমে নতুন খনিজ স্তর এবং সম্ভাব্য খনি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত মিলেছে। ঐতিহাসিক মাহদ স্বর্ণখনির আশপাশেও খননের মাধ্যমে খনির আয়ু বাড়ানোর সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বব উইল্ট বলেন, ‘সাম্প্রতিক ফলাফল কোম্পানির বহুমুখীকরণ পরিকল্পনাকেও জোরালো করেছে। স্বর্ণের মতোই তামা ও নিকেলের প্রাথমিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। আরবিয়ান শিল্ড অঞ্চলে বড় পরিসরে খনিজ উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে।’ 

শাইবান ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় পাওয়া তথ্য সৌদি আরবজুড়ে বহুপণ্যভিত্তিক শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: গালফ নিউজ

এমএইচআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর