যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মুক্তি দিতে হবে বলে জানিয়েছে চীন।
সেইসঙ্গে তাদেরকে আটকের এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে বেইজিং। খবর আল জাজিরার।
বিজ্ঞাপন
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে গেছে—এ নিয়ে চীন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতি এবং জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
চীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে, ভেনেজুয়েলার সরকার উৎখাতের চেষ্টা বন্ধ করতে এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে।
গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় শেষ রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসক আটক করে মার্কিন বিমান বাহিনী।
ইতোমধ্যে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, চার দিন আগেই তিনি এ অভিযানের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন।
বর্তমানে মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের জন্য সামরিক অভিযান পরিচালনা ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে স্ত্রীসহ নিজ ভবন থেকে সন্ত্রাসীদের কায়দায় তুলে এনে আটক করার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন খোদ নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রধান শহর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র আরও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটকের পর তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে টেলিফোন করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি এ অভিযানের বিরোধিতা করছেন।
-এমএমএস

