ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক হওয়ার জন্য যোগ্যতার পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এটি অনেকটা বাংলাদেশের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার মতোই।
রোববার পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতামান পেরোনোর পরীক্ষা ছিল। সেই পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা দিয়ে বেরোনোর পর পরীক্ষার্থীরা জানান, তারা যে প্রশ্নপত্র পেয়েছেন, তার সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হুবহু এক। খবর পিটিআই এর
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: মমতার অভিযোগ, আশ্বাস মোদির
রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, তিনি পর্ষদের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন। তবে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যম সূত্রে তিনি জেনেছেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কয়েকজন পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্র সামাজিক মাধ্যমে দেন। তাতে কারো কোনো অসুবিধা হয়নি। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হয়েছে।
পর্ষদের উপসচিব পার্থ কর্মকার বলেন, 'পরীক্ষা শুরু হয় বেলা বারোটার সময়। একটার একটু পরে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে বলে শুনেছি। এতে কোনো পরীক্ষার্থীর কোনো অসুবিধা হয়নি।' তিনি বলেন, 'পর্ষদের গায়ে কালি লাগাতে কিছু অসাধু মানুষ এই কাজ করতে পারে।'
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যমে যে সব প্রশ্ন ধুরছে, সেগুলি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে গেছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: মমতার উত্তরসূরী কে হবেন?
পরীক্ষার্থী প্রলয় রায় আনন্দবাজার পত্রিকাকে বলেন, 'মোবাইল নিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি, পানির বোতল নিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি। এত কড়া সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল। তারপরেও কী করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়?'
টালিগঞ্জের স্বান্তনা মণ্ডল ইটিভি ভারতকে জানিয়েছেন, 'গত বছর পাস করা কেউ চাকরি পাননি। নোটিফিকেশন জারি হয়নি। আমরা চাই, সকলে চাকরি পান।'
পর্ষদ জানিয়েছে, প্রায় দুই লাখ ৬৭ হাজার পরীক্ষার্থী রোববার টেট পরীক্ষা দিয়েছেন
একে




